Published : 23 Apr 2026, 11:48 PM
রাজস্ব বৃদ্ধি ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করা বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য, এ কথা তুলে ধরে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এখন থেকে সরকারি জমিতে অবৈধ দখলদারদের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তার দপ্তরে ‘চা বাগান ব্যবস্থাপনা এবং গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩’ সম্পর্কিত এক অবহিতকরণ সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
চা বাগান ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তিনি বলেন, “সারাদেশে ১৬৬টি চা বাগানের মোট ২ লাখ ৮২ হাজার ৩৪৬ একর জমির মধ্যে চাষযোগ্য ও অনুপযোগী জমি, অন্যান্য ব্যবহৃত-অব্যবহৃত জমির পরিমাণ, পৃথক ও সঠিক তথ্য দ্রুত প্রদান করতে হবে।”
যেসব চা বাগান থেকে বিগত ১৩ বছর সরকার রাজস্ব পায়নি, তা কেন পায়নি সেটি খতিয়ে দেখার কথা বলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী। এ যাবৎকাল যেসব বাগান সরকারের ‘পাওনা’ পরিশোধ করেনি, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
মীর হেলাল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা চাই দেশের এক ইঞ্চি জমিও যাতে বেহাত না হয়। সরকারি জমি জবরদখলে রেখে রাজস্ব দেওয়া হবে না—এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”
ভূমি প্রতিমন্ত্রী বেদখল হওয়া জমি পুনরুদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
সভায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবুল হাসেম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জেলার চা বাগানগুলোর বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী ‘গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩’ এর অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন। সভায় বলা হয়, প্রায় ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এ প্রকল্পটি খুব শিগগিরই একনেক সভায় উপস্থাপিত হবে।
প্রকল্পের আওতায় সমতল, উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের জন্য ‘পৃথক মডেলে’ ঘর নির্মাণ করা হবে। প্রতিমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘প্রকৃত’ সুবিধাভোগীরা যাতে বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।