২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

শপথ অনুষ্ঠানে আসন না পেয়ে ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা

পরিস্থিতি দেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে স্থান পাওয়া নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ আসন ছেড়ে দিয়ে অন্যদের বসার ব্যবস্থা করতে দেখা যায়।

শপথ অনুষ্ঠানে আসন না পেয়ে ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা
বঙ্গভবনের দরবার হলে বৃহস্পতিবার রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অতিথিরা।

বিডিনিউজ২৪

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Aug 2024, 11:56 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:12 AM

বঙ্গভবনের দরবার হলে পর্যাপ্ত বসার আসন না পেয়ে আয়োজকদের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। পরে তড়িঘড়ি বাড়তি চেয়ার যুক্ত করে শিক্ষার্থীদের শান্ত করেন বঙ্গভবনের কর্মীরা।

বঙ্গভবনের দরবার হলে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায়। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল চার শতাধিক অতিথিকে। 

কিন্তু অনুষ্ঠানে হাজির হন আরো বেশি অতিথি। পরে আধা ঘণ্টা পিছিয়ে অনুষ্ঠান রাত ৯টায় নিয়ে যাওয়া যায়।

অধ্যাপক ইউনূস ৯টা ১৩ মিনিটে দরবার হলে পৌঁছানোর পর নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয় ৯টা ২০ মিনিটে।

দরবার হলে শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজনের কাছে শোনা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিদের জন্য ১৫/২০টি আসন রাখা হয়। কিন্তু সেখানে আমন্ত্রিত হয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন ৫০ জন শিক্ষার্থী। ওই সময় দাঁড়িয়ে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যরা।

“আপনারা এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবেন না, হল থেকে বেরিয়ে যেতে হবে,” বলছিলেন একজন নিরাপত্তাকর্মী।

পরিস্থিতি দেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে স্থান পাওয়া নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ আসন ছেড়ে দিয়ে অন্যদের বসার ব্যবস্থা করতে দেখা যায়।

পরে একজন ছাত্রনেতা বলেন, “আমরা কেন সরে যাব, কেন? আমাদেরকে তো আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যতজনকে আমন্ত্রণ জানান হয়েছে ততগুলো চেয়ার নেই কেন?”

এই সময় বঙ্গভবনের নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্রদের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে নিরাপত্তাকর্মীরা চুপসে যান। পরে দরবার হলের কর্মীরা আরও কিছু চেয়ার এনে তাদের বসার ব্যবস্থা করেন।