০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এসএসসির খাতা দেখতে অনীহা, পরীক্ষকদের সতর্ক করল বোর্ড

পরীক্ষকরা বোর্ড থেকে মূল্যায়নের জন্য খাতা নিয়ে যাচ্ছেন না। এতে এবারের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হলেও অনেক খাতা বোর্ডে রয়ে গেছে, বলছে ঢাকা বোর্ড।

এসএসসির খাতা দেখতে অনীহা, পরীক্ষকদের সতর্ক করল বোর্ড
ফাইল ছবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 May 2025, 09:53 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:42 PM

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের অনেকেই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার খাতা দেখায় অনীহা প্রকাশ করায় এবার ফলাফল মূল্যায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

এসব পরীক্ষক বোর্ড থেকে মূল্যায়নের জন্য খাতা নিয়ে যাচ্ছেন না। এতে এবারের এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা মঙ্গলবার শেষ হলেও অনেক খাতা বোর্ডে রয়ে গেছে।

এমন অবস্থায় নির্ধারিত সময়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সব পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের খাতা নিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

তা না করলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হবে বলে হুঁশিয়ার করা হয়েছে।

তারা খাতা না নেওয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নে ‘বিঘ্ন’ সৃষ্টি হচ্ছে বলে তাদের কাছে পাঠানো চিঠিতে তুলে ধরা হয়।

ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শিক্ষকরা আবেদন করে প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক হলেও তাদের অনেকেই খাতা মূল্যায়নে অনীহা প্রকাশ করছেন। তাদের নির্ধারিত বিষয়ের খাতা বোর্ডে পড়ে আছে, কিন্তু তারা তা মূল্যায়নের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন না।

নির্ধারিত সময়ে খাতা মূল্যায়ন না হলে ফল প্রকাশে দেরি হওয়ার শঙ্কা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের খাতা নিয়ে যেতে অনুরোধ করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তারা খাতাগুলো বোর্ড থেকে না নিয়ে গেলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বোর্ড।

এর আগে গত ৫ মে এক চিঠিতে পাবলিক পরীক্ষার খাতা বা উত্তরপত্র অন্য কাউকে দিয়ে দেখালে বা মূল্যায়ন করালে জেল-জরিমানা হতে পারে বলে পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের সতর্ক করেছিল ঢাকা বোর্ড। 

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের রেওয়াজ রয়েছে। এবারও তা বজায় রাখতে ‘আপ্রাণ’ চেষ্টা করার কথা বলেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার।

গত ১০ এপ্রিল শুরু হয়ে এসএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। ১৫ থেকে ২২ মে ব্যবহারিক পরীক্ষার সূচি রয়েছে। এবার ১৯ লাখ ২৮ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার জন্য ফরম পূরণ ৩০ হাজারের বেশি এক বা একাধিক পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।