১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কুইক রেন্টালে দায়মুক্তির বৈধতা কেন অবৈধ নয়: হাই কোর্ট

এ সংক্রান্ত আইনের ৬(২) ধারা ও ৯ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Sep 2024, 03:40 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:23 AM

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (কুইক রেন্টাল) সংক্রান্ত আইনের দায়মুক্তি ও ক্রয় সংক্রান্ত দুটি ধারা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।

এ সংক্রান্ত একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

২০১০ সালের ১২ অক্টোবর ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’ প্রণয়ন করা হয়। আইনের ‘পরিকল্পনা বা প্রস্তাবের প্রচার’ সংক্রান্ত ৬(২) ধারা ও ‘আদালত ইত্যাদির এখতিয়ার রহিত করা’ সংক্রান্ত ৯ ধারার বৈধতা নিয়ে রিট মামলাটি করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আইনজীবী মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম এ রিট আবেদন দায়ের করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহদীন মালিক। 

তিনি বলেন, “রুলে কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’ এর ৯ ধারায় দায়মুক্তি কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাই কোর্ট।”

রিটে এ আইনের ৬(২) ধারা ও ৯ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

আইনটির ৬(২) ধারায় বলা হয়েছে, “বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রীর সম্মতি গ্রহণক্রমে যে কোন ক্রয়, বিনিয়োগ পরিকল্পনা বা প্রস্তাব ধারা ৫ এ বর্ণিত প্রক্রিয়াকরণ কমিটি সীমিত সংখ্যক অথবা একক কোন প্রতিষ্ঠানের সহিত যোগাযোগ ও দরকষাকষির মাধ্যমে উক্ত কাজের জন্য মনোনীত করিয়া ধারা ৭ এ বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণে অর্থনৈতিক বিষয় বা সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রেরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।”

এছাড়া ৯ ধারায় বলা হয়েছে, “এই আইনের অধীন কৃত বা কৃত বলে বিবেচিত কোনো কাজ, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা, প্রদত্ত কোনো আদেশ বা নির্দেশের বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতের কাছে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।”