Published : 31 Aug 2025, 05:59 PM
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সব জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সব জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিও গুরুত্বপূর্ণ।
রোববার ঢাকায় বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ভোট প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিবিষয়ক কর্মশালায় তিনি একথা বলেন।
এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, আগামী নির্বাচনে প্রতিবন্ধীরা ভোটাধিকার পাবেন। নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে বয়স্ক, শারীরিকভাবে অক্ষম প্রতিবন্ধী ভোটারদের সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য ইসি কাজ করছে। পরিবার ও সমাজের সহযোগিতারও এক্ষেত্রে প্রয়োজন।
৩৬ জুলাই সমাজে অনেক পরিবর্তন এনেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আজকের আলোচনাটাই ৩৬ জুলাইয়ের ফসল। কারণ, আমরা যেখানে নির্বাচনই ভুলে গিয়েছিলাম, নির্বাচনে অংশগ্রহণ তাও আবার বিশেষভাবে চাহিদাসম্পন্ন মানুষের-এগুলো তো প্রায়োরিটি লিস্টের অনেক পিছনে ছিল। এখন অন্তত পক্ষে এটা সামনে এসেছে, আমরা এটা নিয়ে বলতে পারছি।”
প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে সমাজ, দেশ ও জাতি হিসেবে অনেক বেশি করণীয় রয়েছে মন্তব্য করে সানাউল্লাহ বলেন, “সার্বিকভাবে পুরো সমাজেই আমরা তাদের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা করতে পারিনি। ইসি এর বাইরে নয়; এটা দুঃখজনক। আমাদের অনেক পথ এগোতে হবে। মানসিকভাবে যারা আসবেন না, তাদের ছাড়া সবার ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
“শুধু দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নয়, যাদের হাতটা কাঁপে, কেন্দ্রে যেতে পারেন না, যারা বয়স্ক, তাদেরও সহায়তা দেওয়ার বিধান রয়েছে।”
ইউএনডিপি, নির্বাচন কমিশন ও সাইটসেভার্স আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রতিবন্ধীরা নিজেদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
ইউএনডিপি'র আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দিতে তারা প্রস্তত রয়েছেন।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “সংবিধানের কোনো ধারাতেই প্রতিবন্ধীদের (ভোটাধিকারের) কোনো রেস্ট্রিকশন আনা হয়নি। আমাদের দিক থেকেও তাদের ভোটে অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো অসুবিধা নেই।”
আরও পড়ুন