১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সচিবালয়ের সামনে তৃতীয় দিনের মত অবস্থান অব্যাহতি পাওয়া এসআইদের

অব্যাহতি পাওয়া এসআইদের পাশেই অবস্থান নেন কারারক্ষী নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও বাদ পড়া প্রার্থীরা। সনদের দাবিতে দাঁড়িয়েছেন চীন থেকে নাবিকের প্রশিক্ষণ নিয়ে আসা ১৭ জনও।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Jan 2025, 05:33 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:34 AM

চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে তৃতীয় দিনের মত সচিবালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন এসআইয়ের প্রশিক্ষণ চলা অবস্থায় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া প্রার্থীরা। 

সোমবার সকাল ১০টায় তারা ব্যানার নিয়ে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ফটকের বিপরীতে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনের পাশে অবস্থান নেন। 

কারারক্ষী নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বাদ পড়া ৪৮ জনও এদিন সচিবালয়ের সামনে অবস্থান নেন।

সেখানে দেখা গেছে চীন থেকে নাবিক প্রশিক্ষণ নিয়ে আসা ১৭ জনকেও; যারা অবস্থান নিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে একটি ‘প্রাপ্য’ সনদের দাবিতে।

এসআইয়ের প্রশিক্ষণ চলা অবস্থায় অব্যাহতি পাওয়া মাসুদ রানা বলেন, “সারদা পুলিশ একাডেমিতে বিভিন্ন ধাপে ৩২১ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে নানা অজুহাতে। আজ আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। 

“স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমুল গনি স্যার আমাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন। আমাদের বিষয়ে তারা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা জানতে আমরা এসেছি। এর আগে ৫ ও ৬ জানুয়ারি আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছিলাম।” 

চীনে প্রশিক্ষণধারীদের একজন বলেন, “আমরা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বৃত্তি নিয়ে চীনের জিয়াংসু মেরিটাইম ইনস্টিটিউট থেকে নাবিকের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছি। দেশে এসে আমাদের নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে ‘ক্যাডেট সিডিসি’ সনদ পাওয়ার কথা। 

“ছয়মাস ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও আমরা সনদ পাচ্ছি না। জানুয়ারির শেষ দিকে চীনে একটি চাকরি মেলা হবে। এই সনদ না পেলে আমরা বাণিজ্যিক জাহাজে চাকরির সুযোগ পাব না। তাই সনদ না পেলে এরপর আমরা অনশনে নামতে বাধ্য হব।”

৬২তম পুরুষ ও মহিলা কারারক্ষী ব্যাচের একজন বলেন, “সব পরীক্ষায় পাস করার পর এক মাস ১৩ দিন হয়ে গেলেও আমাদের প্রশিক্ষণে পাঠানো হচ্ছে না। আমরা ৪৫ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী। 

“কী কারণে আমাদের প্রশিক্ষণে পাঠানো হচ্ছে না তা পরিষ্কার নয়। আমরা অতিরিক্ত আইজিপি মহোদয়ের সঙ্গে দেখা করেছি। উনি বলেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি কোনো সিদ্ধান্ত দেয় তাহলে তোমাদের যোগদান হবে। গত ৫ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটা আবেদন দিয়েছে, এখনও সাড়া পাইনি।”