Published : 19 Oct 2025, 11:01 PM
রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার এক প্রতিবেদককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলার অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আগামী নির্বাচনে বিএনপির সিলেট বিভাগের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মারধরের শিকার হয়েছেন দৈনিক আমার দেশের নিজস্ব প্রতিবেদক জাহিদুল ইসলাম। তাকে মারধরের পর তার মোবাইল ফোনটিও ভেঙে ফেলা হয় এবং তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আরও কয়েকজন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে প্রতিবেদক জাহিদুল বলেন, বিএনপির কর্মসূচি কভার করতে রোববার সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিসে যান তিনি। বিকালে সিলেট বিভাগীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের সময় হইচই শুরু হলে তিনি ভিডিও করতে গেলে কয়েকজন তাকে মারধর করে।
তার ফোনটিও কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলা হয় অভিযোগ করে তিনি বলেন, পরে সেখানে উপস্থিত অন্যান্য সাংবাদিক তাকে উদ্ধার করেন।
এ ঘটনা নিয়ে আমার দেশ এর অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, “এ সময় ( প্রতিবেদককে মারধরের সময়) হামলাকারীরা বলতে থাকে- আমার দেশ বিএনপির বিরুদ্ধে রিপোর্ট করছে। এখানে বিএনপির দোষ খুঁজতে রিপোর্টার পাঠিয়েছে।”
পরে এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে সন্ধ্যায় বিবৃতি দেন বিএনপির মহাসচিব
তিনি বলেন, “বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় আমার দেশ পত্রিকার রিপোর্টার জাহিদ হাসান আঘাতপ্রাপ্ত এবং উপস্থিত কিছু সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হন।
“গণমাধ্যমের সাংবাদিকরাই রাজনৈতিক দলের বক্তব্য, বিবৃতি ও কার্যক্রম জনগণকে অবহিত করেন। এই কারণেই রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে গণমাধ্যমের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক। আজকের ঘটনা আকস্মিক ও সম্পূর্ণরূপে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্টি হয়েছে।”
বিবৃতিতে অনাকাঙ্খিত এ ঘটনার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।