Published : 29 Jun 2026, 05:02 PM
আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী দীপু মনিকে হাসপাতালে নেওয়ার পরদিনই আবার কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল থেকে মুন্সীগঞ্জ কারাগারে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল ফরহাদ।
মুন্সীগঞ্জের জেল সুপার মুহাম্মদ এনায়েত উল্ল্যাহ সোমবার বলেন, “গত রাত দেড়টার দিকে তিনি কিছুটা অসুস্থতাবোধ করলে আমরা তাকে সঙ্গে সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিই। পরে চিকিৎসকরা ঢাকায় পাঠান।”
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, কিডনি, থাইরয়েড ও অ্যালার্জিজনিত রোগ রয়েছে দীপু মনির।
“তার ভালো চিকিৎসা দরকার মনে করে আমরা ঢাকায় পাঠিয়েছি।”
জেল সুপার বলেন, দীপু মনি আগে থেকেই এসব রোগে আক্রান্ত। প্রায়ই চেকআপ ও চিকিৎসা করতে হয়।
দীপু মনিকে হাসপাতালে নেওয়া এএসআই মো. ফজলু বলেন, সকালে দীপু মনিকে মুন্সীগঞ্জ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তাকে আবার মুন্সীগঞ্জ কারাগারে নিয়ে আসা হয়।
সহকারী কারা মহাপরিদর্শক জান্নাত-উল ফরহাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মুন্সীগঞ্জ কারাগারে বন্দি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি রোববার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার এলার্জি বেড়ে যাওয়ায় মুখ ফুলে যায়।”
এ বন্দির আগে থেকে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চিকিৎসা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে আবারও মুন্সীগঞ্জ কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি বাংলাদেশের প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রথম নারী শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মাসেই ১৯ অগাস্ট গ্রেপ্তার হন দীপু মনি। হত্যা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতার বিভিন্ন অভিযোগে দীপু মনির বিরুদ্ধে প্রায় ৭০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।