Published : 14 Jul 2025, 10:26 PM
পৃথিবীতে আশ্চর্য বলে কিছু নেই শুধু নারীরা ছাড়া, তারা
আশ্চর্যম্।
স্বপ্নের গভীরে তারা তুচ্ছকে করে দিব্য
আর ইহজগৎকেই করে তোলে স্বপ্নোদ্যান---
যেখানে পুষ্প আর পতঙ্গরা বদল করে চলে অজানা দিনের ঘ্রাণ; তারা
আনন্দম্।
নারীরা আলো নয়, নয় ছায়াও, তারা শুধু আলোছায়া যেখানে
অজানা মায়া রচনা করে রাখে তার অশ্রু ও বেদনার ট্যাপেস্ট্রি,
---রচনা করে একটি সংগীত যা তার সুরকে করে তোলে একটি ছবি, তারা
সুন্দরম্!
অসংখ্য নদী আর সমুদ্রধারা রচনা করে এক জলময় গোলকধাঁধা:
সবকিছু হারায় আর ডুবে যায় কোনো এক অতলের টানে, আরবার ভেসে ওঠে
কোনো এক নীরব ভাষার রাতে!
আহা, বসন্ত এসেছে, ফুলে ফুলে একটি ঋতু আজ পরিবেশন করছে ভরতনাট্যম
রং আর আলো যেন ম্যাজিক ল্যান্টার্নের মতো রচনা করছে গর্ভগৃহ, প্রেমের।
আহা, তোমরা নারীরা...তোমরাই
শাশ্বতম্।
দেখো, নারী, একটি পানপাতা হয়ে তোমার বরজের ভিতর মৃদু দোল খাই,
বৃষ্টি পড়ে টাপুরটুপুর, ভিজে সবকিছু, শুধু ভিজি না আমি,
হাওয়াকে ছিদ্র করে কে-যেন উড়ে যায় বিহঙ্গমন্দিরটির দিকে, তার মন্দ্রলয়টি ধরে
আকাশমণিটি দুলে ওঠে পার্থিবের চাতালে চাতালে। আমি তোমার
স্পন্দনকে অনুভব করি, আর মেপে চলি তোমার শরীরের রংধনুটিকে,
যে তার সাঁকোটি দিয়ে আমাকে পার করে দিয়েছিল অচেনা ইডেনে!
তোমরা, তোমরাই তো... হে নারী...
আশ্চর্যম্-আনন্দম্-সুন্দরম্-শাশ্বতম্