মিয়ানমারের ওপর আবার যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা
নাগরিকদের ওপর নিপীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত অভিযোগে যুক্তরাজ্য কয়েকটি সামরিক ইউনিট এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের তিন বছর পূর্তির মাথায় বৃহস্পতিবার নতুন করে সামরিক কয়েকটি ইউনিট এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য।
এই সমস্ত সেনা ইউনিট এবং প্রতিষ্ঠান মিয়ানমারে ‘নাগরিকদের ওপর নিপীড়ন’ এবং ‘মারাত্মক মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত’ বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাজ্য।
ব্রিটেনের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, সামরিক কয়েকটি ডিভিশন এবং মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী সঙ্গে জড়িত দুটো রাষ্ট্র-মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে যুক্তরাজ্যের হিসাবমতে, ২০২১ সালে মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনবছরে দেশটির মোট ২৫ ব্যক্তি এবং ৩৩ টি প্রতিষ্ঠান নিষেধাজ্ঞা কবলিত হয়েছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এক বিবৃতিতে বলেছেন, “মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের তিনবছর পর আমরা দেশটির জনগণের ওপর সামরিক বাহিনীর নৃশংস নিপীড়ন বন্ধ করার জন্য চাপ বাড়াচ্ছি।”
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রদপ্তর বলেছে, তারা ইইউ এবং আরও ৮ টি দেশের সঙ্গে মিলে একটি যৌথ বিবৃতিও প্রকাশ করেছে। এতে নিজ দেশের নাগরিকদের ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন এবং সহিংসতা চালিয়ে আসার জন্য মিয়ানমারের সামরিক শাসকগোষ্ঠীর নিন্দা জানানো হয়েছে।
.
