যুক্তরাষ্ট্রে ৮ জনকে গুলি করে হত্যা

নিহতদের মধ্যে সাতজন এক পরিবারের সদস্য। এক রাস্তার দুই পাশের দু’টি বাড়িতে তাদের লাশ পাওয়া যায়।

নিউজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 23 Jan 2024, 04:46 AM
Updated : 23 Jan 2024, 04:46 AM

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের শহর জোলিয়েটে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছে।

শিকাগো শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমের শহরটিতে রোববার এসব ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সাতজন এক পরিবারের সদস্য। দু’টি বাড়িতে তাদের লাশ পাওয়া যায়।  

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটজনের মধ্যে প্রথম যার মৃত্যুর কথা জানা যায় তিনি একজন পুরুষ। রোববার বিকালে তাকে শহরের মধ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়।

নিহতকে শুধু ২৮ বছর বয়সী একজন পুরুষ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি নাইজেরিয়া থেকে এসে প্রায় তিন বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

যে গাড়িতে করে বন্দুকধারী পালিয়ে গিয়েছিল সেটির রেজিস্ট্রিকৃত মালিকের নাম রোমিও ন্যান্স (২৩) । এই গাড়ির সূত্র ধরে ন্যান্সের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। জোলিয়েটের একটি বাড়িতে সে বাস করতো, আগে থেকেই নজরদারির কারণে তা জানা ছিল পুলিশের।

সোমবার সকালে পুলিশ কর্মকর্তারা ন্যান্সের বাড়ির সামনের রাস্তার অপরদিকের দ্বিতীয় আরেকটি বাড়ির সামনে রক্তের দাগ দেখতে পান। ভেতরে ঢুকে গুলিবিদ্ধ দু’টি মৃতদেহ পান তারা।

এরপর পুলিশ ন্যান্সের বাড়িতে প্রবেশ করে সেখানে গুলিবিদ্ধ আরও পাঁচটি মৃতদেহ পায়। এতে তিনটি জায়গায় মোট আটটি লাশ পায় পুলিশ।

এই সব হত্যাকাণ্ডের জন্য ন্যান্সই দায়ী বলে মনে করছে জোলিয়েট পুলিশ বিভাগ। সোমবার দিনভর তার খোঁজে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে তারা।

কী কারণে সন্দেহভাজন এতোগুলো মানুষকে মেরেছে তা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি পুলিশ। তবে নিহতরা সবাই ন্যান্সের পূর্বপরিচিত ছিল বলে সোমবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

ন্যান্স সশস্ত্র অবস্থায় আছেন এবং বিপজ্জনক হতে পারে, এমনটি ধরে নিয়ে তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে স্থানীয় শেরিফের ডেপুটিরা ও এফবিআইয়ের গোয়েন্দারা; জানিয়েছে রয়টার্স।

রোববার একই এলাকায় আরেকটি ‘নির্বিচার’ গুলির ঘটনায় ৪২ বছর বয়সী আরও এক ব্যক্তি আহত হন। তিনি বেঁচে যাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে ন্যান্সের গাড়ির একটি সম্পর্ক আছে, কিন্তু গুরুতর আহত এই ব্যক্তির সঙ্গে নিহত অন্যদের কোনো সম্পর্ক নেই।