নাগরিকদের ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু করতে চীন-থাইল্যান্ড চুক্তি

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এক বৈঠকের পর দ্বিপক্ষীয় ভিসামুক্ত ভ্রমণ চুক্তি সই করেন দুদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ১ মার্চ থেকে চুক্তি কার্যকর হবে।

রয়টার্স
Published : 28 Jan 2024, 11:58 AM
Updated : 28 Jan 2024, 11:58 AM

করোনাভাইরাস মহামারীতে ক্ষতি হওয়া ভ্রমণ ও পর্যটনখাতকে চাঙ্গা করতে চীন এবং থাইল্যান্ড তাদের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু করতে একটি পারষ্পরিক চুক্তি সই করেছে।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এক বৈঠকের পর দ্বিপক্ষীয় ভিসামুক্ত ভ্রমণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী পার্নপ্রি বাহিদধা-নুকারা এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

আগামী ১ মার্চ থেকে এ চুক্তি কার্যকর হবে। এর ফলে চীন-থাইল্যান্ডের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই পরস্পরের দেশে প্রবেশ করতে পারবেন।

চুক্তি সইয়ের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই ভিসামুক্ত যুগ দুই দেশের মানুষে মানুষে আদান-প্রদানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’’

থাইল্যান্ডের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে পর্যটন নির্ভর। দেশটিতে পর্যটকদের বেশিরভাগই আসে চীন থেকে। করোনাভাইরাস মহামারীর আগে থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস ছিল এই পর্যটন খাত। কিন্তু মহামারী পরবর্তী সময়ে এখনও দেশটিতে চীনা পর্যটকদের ফিরে আসার গতি শ্লথ।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, নতুন চুক্তির বদৌলতে থাইল্যাণ্ড ভ্রমণে চীনা পর্যটকদের সংখ্যা এখন অনেকটাই বেড়ে যাবে।

করোনাভাইরাস মহামারীর আগে ২০১৯ সালে কেবল চীন থেকেই এক কোটি ১০ লাখ মানুষ থাইল্যান্ডে ভ্রমণ করেছিল। কিন্তু গত বছর থাইল্যান্ডে চীনা পর্যটকের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৩৫ লাখে।

নাগরিকদের ভিসামুক্ত ভ্রমণ ছাড়াও চীন ও থাইল্যান্ড রেলওয়ে নেটওয়ার্কের নির্মাণকাজ ত্বরান্বিত করার অঙ্গীকার করেছে। একই সঙ্গে আন্তঃদেশীয় অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও যৌথভাবে উভয় দেশ কাজ করবে বলে জানিয়েছেন ওয়াং।