০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বাগানে পড়ে ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৫০০ কেজি ওজনের বোমা

বোমার কারণে এত বেশি মানুষকে সরিয়ে নিতে হয় যে, ওই উচ্ছেদ অভিযানকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী যুক্তরাজ্যের সবথেকে বড় উচ্ছেদ অভিযান বলা হচ্ছে।

বাগানে পড়ে ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৫০০ কেজি ওজনের বোমা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বোমাটি জার্মানির ফেলে যাওয়া।

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Feb 2024, 03:51 PM

Updated : 24 Feb 2024, 03:51 PM

দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের ডেভনের বন্দর শহর প্লাইমাউথের একটি বাগানে আট দশক ধরে পড়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার জার্মানির একটি বিশাল বোমা।

চার দিন আগে মঙ্গলবার ৫০০ কেজি ওজনের সেই বোমার খোঁজ পাওয়ার পরই হইচই পড়ে যায়; প্লাইমাউথের মাইকেল অ্যাভিনিউ এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় হাজারো বাসিন্দাকে।

বিবিসি জানিয়েছে, বোমার খবরের পরই তৎপর হয় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বোমাটিও নিরাপদে সরিয়ে নিতে কাজ শুর করে।

শুক্রবার ওই এলাকার রাস্তাঘাট, রেল ও বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর বোমাটি গাড়িতে তুলে শহরের পথ ধরে দেড় কিলোমিটার দূরে সাগরে নিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

বোমার বিস্ফোরণে ব্যাপারে বেশি তথ্য জানা না গেলেও শুক্রবার সেটিকে পানির ৪৬ ফুট গভীরে নেওয়ার কথা জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল রব সোয়ান।

বিশালাকার ওই বোমার খবরে প্লাইমাউথের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, সেটিকে সরিয়ে নিরাপদে বিস্ফোরণের মাধ্যমে গত চারদিনের সেই আতঙ্কের অবসান হয়েছে।

বোমার কারণে এত বেশি মানুষকে সরিয়ে নিতে হয় যে, তাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী যুক্তরাজ্যের সবথেকে বড় অপসারণ অভিযান বলা হচ্ছে।

শহরের কেহাম এলাকা থেকে বোমাটি সরিয়ে নিতে ৯৮৪ ফুট দীর্ঘ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। সেনাবাহিনীর গাড়ি বহরে করে সেটি নেওয়া হয় টরপয়েন্ট ফেরি ঘাটে।

বোমাটি সরানোর পর শহরে চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।

বোমার আতঙ্ক থেকে মুক্ত হওয়ার পর স্বস্তি প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ভিকি ব্রাদারটন নামে এক নারী বলেন, “ওই সময়টা ছিল আমাদের জন্য খুবই উদ্বেগের। গত চারদিন কর্নওয়ালের একটি ক্যারাভানে (গাড়ি) কাটিয়েছি।”