দিল্লিতে মমতা, কেজরিওয়াল আটক
মমতাসহ তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।
ভারতের রাজধানীতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে পুলিশি বাধায় আটক হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারায়ি বিজয়ন।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি লিখেছে, শনিবার সেন্ট্রাল দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউ এলাকায় পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেখানে যন্তর মন্তরগামী সড়ক বন্ধ থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে একটি বাস স্ট্যান্ডে বসে পড়েন সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী। এ সময় সরকারের ‘স্বৈরাচারী আচরণের’ প্রতিবাদ জানাতে মুখের ওপর ব্যান্ডএইড এঁটে নীরব ও প্রতীকী প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেন তিনি।
পরে মমতাসহ তৃণমূলের পাঁচ সংসদ সদস্যকে (এমপি) আটক করে একটি বাসে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।
তাদের মধ্যে ছিলেন দলটির প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন। একই এলাকা থেকে দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারায়ি বিজয়নকেও পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।
আটকের পর পুলিশ বাসের ভেতর থেকেই এক ভিডিও বার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সরকার আমাদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করছে।”
লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “জনগণের দাবি আদায় ও তাদের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করতে ‘ইনডিয়া’ জোটের এ সংগ্রাম রাজপথে অব্যাহত থাকবে।”
এদিন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে নয়া দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) বিক্ষোভের আগে দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ও দেশটির জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে আটক করেছে পুলিশ।
হিন্দুস্তান টাইমস লিখেছে, শনিবার সকালে দিল্লি বিমানবন্দরে একটি উড়োজাহাজ থেকে অভিজিৎকে আটক করা হয়। তার সঙ্গে থাকা সৌরভ দাশ ও আশুতোষ রাঙ্কারা নামের দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
