কৃষ্ণ সাগরে হামলা বন্ধে রাজি রাশিয়া-ইউক্রেইন: যুক্তরাষ্ট্র
তবে ইউক্রেইন কৃষ্ণ সাগরে হামলা বন্ধে রাজি হলেও বলেছে, সেখানে রুশ নৌবাহিনীর জাহাজের কোনওরকম চলাফেরা চুক্তির লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে।
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, রাশিয়া এবং ইউক্রেইন কৃষ্ণ সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য একটি নিরপদ পথ নিশ্চিত করা এবং সামরিক হামলা বন্ধে রাজি হয়েছে।
তবে ইউক্রেইন কৃষ্ণ সাগরে হামলা বন্ধে রাজি হলেও বলেছে, সেখানে রুশ নৌবাহিনীর জাহাজের কোনওরকম চলাফেরা চুক্তির লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে।
সৌদি আরবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠকের আগে ইউক্রেইনের সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা বৈঠক হয়েছিল। সে সময় ক্রেমলিন জানিয়েছিল, দু’পক্ষের মধ্যে কৃষ্ণ সাগরে জাহাজ চলাচলের নিরাপদ পথ তৈরি করা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে।
এরপর সোমবার সৌদি আরবে রুশ প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের আলোচনা হয়। ওয়াশিংটন দু’টি বৈঠক নিয়েই মঙ্গলবার আলাদা আলাদা বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
বিবিসি-তে হোয়াইট হাউজের প্রকাশিত বিবৃতিতে সৌদি আরবে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউক্রেইন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের বিস্তারিত উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে:
- রাশিয়া এবং ইউক্রেইন কৃষ্ণ সাগরে সামরিক হামলা বন্ধ এবং জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজি হওয়া ছাড়াও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সামরিক উদ্দেশে ব্যবহার হতে না দেওয়ার বিষয়েও একমত হয়েছে।
- রাশিয়া ও ইউক্রেইন দুই দেশই যুদ্ধবন্দি বিনিময়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এই বন্দিদের মধ্যে আটক বেসামরিক নাগরিকদের পাশাপাশি জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়া ইউক্রেইনীয় শিশুদের মুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- রাশিয়া এবং ইউক্রেইনের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার ওপর নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের পথ বের করতে একমত হয়েছে ইউক্রেইন এবং ওয়াশিংটন।
- দীর্ঘমেয়াটি ও স্থায়ী শান্তির জন্য কাজ করে যেতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেইন একমত হয়েছে। একইসঙ্গে সমুদ্র ও জ্বালনি বিষয়ক চুক্তি বাস্তাবয়নে তৃতীয় কোনও দেশের সমর্থনকে স্বাগত জানাতেও একমত হয়েছে তারা।
