১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চুক্তি না হলে ইরানের ওপর ফের আঘাত হানতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: হেগসেথ

ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচকরা চুক্তির পথে বাধা সৃষ্টিকারী পার্থক্যগুলোর দূর করার জন্য কাজ করার মধ্যেই এ মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

চুক্তি না হলে ইরানের ওপর ফের আঘাত হানতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: হেগসেথ
সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত শাংরি-লা সংলাপ নিরাপত্তা শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 May 2026, 12:32 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:43 PM

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, যদি একটি চুক্তিতে পৌঁছানো না যায় তাহলে ইরানের ওপর আবার হামলা শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত আছে। 

ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচকরা চুক্তির পথে বাধা সৃষ্টিকারী বড় ধরনের পার্থক্যগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধ রচনার জন্য যখন কাজ করছেন তখন এ মন্তব্য করলেন পেন্টাগন প্রধান।

সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়ার শীর্ষ নিরাপত্তা সম্মেলন শাংরি-লা সংলাপে যোগ দেওয়া হেগসেথ বলেন, “প্রয়োজনে আবার শুরু করার সক্ষমতা আমাদের আছে, আমরা সক্ষমের চেয়েও বেশি। সেখানে এবং বিশ্বজুড়ে আমাদের মজুদ এর জন্য যথেষ্টরও বেশি, তাই আমরা বেশ ভালো অবস্থানে আছি।”  

তিনি আরও জানান, ইরানের সঙ্গে একটি সংঘাতে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে ‘মুখ ফিরিয়ে নেয়নি’। 

তিনি বলেন, “আমরা এক সময়ে দুই কাজ করতে পারি। আমরা আমাদের প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তিকে সুপার চার্জিং করছি যেন খুব শিগগিরই আমাদের যুদ্ধাস্ত্রগুলোকে দ্বিগুণ, তিনগুণ, চারগুণ করে তোলা যায় আর বিশ্বজুড়ে আমাদের সব (অভিযান) পরিকল্পনাগুলোর জন্য যথাযথ অর্থায়ন নিশ্চিত করা যায়।”   

হেগসেথ জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ‘ধৈর্য ধরে’  আছেন আর একটি ‘মহান চুক্তি’ করতে চান যা ইরান পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না বলে নিশ্চিত করবে।  

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়াতে একটি চুক্তির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে শুক্রবার হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে শীর্ষ সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু বৈঠক শেষ হওয়ার পর চুক্তির বিষয়ে তিনি কোনো ঘোষণা দেননি।     

অথচ বৈঠকে বসার আগে সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন, “আমি এখন সিচুয়েশন রুমের বৈঠকে যাচ্ছি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।”

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধে ইরান ও লেবাননের হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান বিশ্বের তেল-গ্যাস সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি কার্যকরভাবে বন্ধ করে রাখায় জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:

ইরান বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে ট্রাম্পের বৈঠকের পর কোনো চুক্তি ঘোষণা হয়নি