১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এফ-৩৫ এ আঘাত ‘মার্কিন ব্যবস্থার পতনের মুহূর্ত’: ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধবিমানটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল বলে ধারণা তাদের।

এফ-৩৫ এ আঘাত ‘মার্কিন ব্যবস্থার পতনের মুহূর্ত’: ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার
মার্কিন এফ-৩৫ মডেলের যুদ্ধবিমানের একেকটির দাম ১০ কোটি ডলারের বেশি। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Mar 2026, 05:01 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:12 PM

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে আঘাত ‘(বিশ্বজুড়ে) মার্কিন ব্যবস্থার পতনের মুহূর্ত’ হিসেবে চিহ্নিত হবে।   

শুক্রবার সামাজিক মাধ্যম এক্স এ এক পোস্টে তিনি বলেন, “এফ-৩৫ শুধু একটি যুদ্ধবিমানই ছিল না, বরং তা ছিল মার্কিন সামরিক বাহিনীর অপরাজেয়তা ও অহংকারের প্রতীক। বিশ্বে প্রথমবারের মতো এই প্রতীকে আঘাত হানা হয়েছে।”  

আল জাজিরা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইরানের আকাশে যুদ্ধ অভিযানে থাকা একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যের এক আঞ্চলিক বিমান ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়। 

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে বলা হয়েছে, এফ-৩৫ মডেলের যুদ্ধবিমানটি জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়েছে। যুদ্ধবিমানটি লক্ষ্য করে ইরান হামলা চালিয়েছিল বলে ধারণা তাদের। 

মার্কিন কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। যদি ঘটনা সত্য হয় তাহলে, তাহলে চলামান যুদ্ধে ইরানের পাল্টা হামলায় আঘাত পাওয়া প্রথম মার্কিন যুদ্ধবিমান হবে এটি আর কোনো এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে শত্রুর গুলির আঘাত লাগার প্রথম ঘটনাও হবে। 

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানান, পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমানটি ইরানের আকাশসীমা দিয়ে উড়ছিল। এর মধ্যে বাধা আসায় সেটি নিরাপদে অবতরণ করে। 

তবে ইরানের রেভলুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) দাবি, তাদের হামলায় যুদ্ধবিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এফ-৩৫ মডেলের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে যার একেকটির দাম ১০ কোটি ডলারের বেশি।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোররাত ২টা ৫০ মিনিটে তাদের আধুনিক ও উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে যুদ্ধবিমানটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

তারা আরও বলেছে, “যুদ্ধবিমানটির চূড়ান্ত পরিণতি এখনো স্পষ্ট নয়, তবে এটি বিধ্বস্ত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।” 

আইআরজিসি আরও জানায়, এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মার্কিন, ইসরায়েলি বাহিনীর ১২৫টিরও বেশি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। সর্বশেষ এফ-৩৫ আঘাত হানা দেশটির সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ও কার্যকারিতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।