১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

অগ্নিকাণ্ডের ৫ বছর পর নতুনরূপে খুলছে প্যারিসের নতর-দাম ক্যাথেড্রাল

ক্যাথেড্রালটির স্থাপত্যকীর্তি উদ্ধার করাসহ এটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ এই নতুন রূপ দেখতে যান।

অগ্নিকাণ্ডের ৫ বছর পর নতুনরূপে খুলছে প্যারিসের নতর-দাম ক্যাথেড্রাল
ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ২৪

রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Nov 2024, 09:38 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:01 AM

২০১৯ সালের ১৫ এপ্রিলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছারখার হওয়ার পর এবার নতুন রূপে উন্মুক্ত হতে চলেছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের নতর-দাম ক্যাথেড্রাল।

 ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বী ও পর্যটকদের জন্য আগামী ৭ ডিসেম্বর থেকে খুলে যাবে এই ক্যাথেড্রালের দ্বার।

অগ্নিকাণ্ডের পর প্রায় সাড়ে পাঁচ বছরে ক্যাথেড্রালটির স্থাপত্যকীর্তি উদ্ধার করাসহ এটি মেরামত করে নতুন আঙ্গিকে তৈরি করা হয়েছে।

এই ক্যাথেড্রাল এখন আগের তুলনায় আরও উজ্জ্বল ও আলো ঝলমলে। এর ঝলক দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

শুক্রবার সকালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সস্ত্রীক ক্যাথেড্রাল পরিদর্শন করেছেন। ক্যাথেড্রালটি নতুন করে গড়তে যারা কাজ করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

মাক্রোঁ বলেন, “আপনারা আপনাদের জীবনের পাঁচটি বছর দিয়ে এই জায়গার চেহারা বদলে দিয়েছেন। আমি খুবই কৃতজ্ঞ। ফ্রান্স অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। পাঁচ বছরে আপনারা নতর-দামকে ফিরিয়ে এনেছেন। আপনাদেরকে ধন্যবাদ।”

মাক্রোঁর বক্তব্য শেষ হতেই ক্যাথেড্রালে উপস্থিত সবাই করতালি দিয়ে ওঠে।

নতর-দাম সংস্কারে ব্যয় হয়েছে ৮৪ কোটিরও বেশি ইউরো। মেরামতিতে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। পুরোনো কাঠামো বদলে দেওয়া হয়েছে নতুন কাঠামো দিয়ে।

ফ্রান্সের সবচেয়ে বিখ্যাত স্থাপনার একটি হচ্ছে রাজধানী প্যারিসের আটশ’বছরের পুরোনো এই ক্যাথেড্রাল। খ্রিস্টীয় একাদশ শতকে শুরু হয়েছিল নতর-দাম ক্যাথেড্রালের নির্মাণ, একশ বছর লেগেছিল এই কাজ শেষকরতে।

এত দীর্ঘ সময় নিয়ে তৈরি এই ক্যাথেড্রাল ২০১৯ সালে আগুনে কয়েক ঘণ্টাতেই পুড়ে ছারখার হয়। বিশ্বজুড়ে মানুষ টেলিভিশনে সরাসরি দেখেছিল, কীভাবে আগুন নতর-দামের ছাদ গ্রাস করছিল। শেষে ক্যাথেড্রালের চূড়া ধসে পড়ে।

তবে অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা করা গিয়েছিল ক্যাথেড্রালটির মূল কাঠামো এবং দুটো বেল টাওয়ার। অগ্নিকাণ্ডের আগে দিয়ে ক্যাথেড্রালে সংস্কারকাজ চলছিল। সেখান থেকেই কোনও দুর্ঘটনাক্রমে আগুন লেগে থাকতে পারে বলে মনে করা হয়।