ইরানের বিরুদ্ধে নতুন আঞ্চলিক জোট গড়ছে ইসরায়েল: নেতানিয়াহু
ইরানের হুমকি মোকাবেলায় এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা হচ্ছে- বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।
ইরানকে মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েল চুপিসারে নতুন জোট গড়ে তুলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
চলমান সংঘাতের আবহে নতুন এই জোট আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার নতুন সমীকরণের সংকেত দিচ্ছে।
মঙ্গলবার এক ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, “ইরানের হুমকি মোকাবেলায় ইসরায়েল এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলছে।” তবে তিনি দেশগুলোর নাম উল্লেখ করেননি।
নেতানিয়াহু বলেন, “শিগগিরই আমি আপনাদের এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিগুলো সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানাতে পারব।”
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে অভিন্ন উদ্বেগের কারণে আরব বিশ্বের একাংশের সঙ্গে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে।
তিনি এই কূটনৈতিক তৎপরতাকে যুদ্ধের ময়দানে বড় ধরনের অর্জনের পরবর্তী কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
নেতানিয়াহু দাবি করেন, সাম্প্রতিক অভিযানে ইরানের অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা আমাদের ওপর থেকে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র এবং অসংখ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার তাৎক্ষণিক হুমকি দূর করেছি।”
তিনি আরও বলেন, চলমান সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের শিল্প সক্ষমতাও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নেতানিয়াহুর ভাষায়, “আমরা ওই শাসকগোষ্ঠীর ধ্বংসাত্মক অস্ত্র তৈরির শিল্প সক্ষমতাকে গুঁড়িয়ে দিয়ে একটি পরিপূরক সাফল্য নিয়ে এসেছি।”
ইরানের ব্যাপক আঞ্চলিক প্রভাবও কমিয়ে আনা হয়েছে দাবি করে ইসরায়েলর প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইরানের ছায়াগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত লেবাননের হিজবুল্লাহ এখন আর ইসরায়েলের জন্য ‘কৌশলগত হুমকি’ নয়।
ভাষণের শেষ পর্যায়ে তিনি তেহরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, “আজ হোক বা কাল, ইরানে শাসনব্যবস্থার পতন ঘটবেই।”
