Published : 18 Sep 2026, 01:11 PM
ব্যালন দ’র জয়ের লড়াইয়ে নিজেকেই বেশি যোগ্য হিসেবে তুলে ধরে গত কিছুদিনে বেশ সরব কিলিয়ান এমবাপে ও লামিন ইয়ামাল। তবে নিজের ঢোল নিজে পেটাতে কোনো আগ্রহ নেই হ্যারি কেইনের। ব্যালন দ’র জয়ের লড়াইয়ে তিনিও আছেন ভালোভাবেই। তবে সেটি নিয়ে তার আগ্রহ খুব একটা নেই। বরং ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম কাটাতে পেরেই তিনি গর্বিত।
গত মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিউখ ও ইংল্যান্ডের হয়ে ৭৩টি গোল করেছেন কেইন। বায়ার্ন মিউনিখ জিতেছে বুন্ডেসলিগা, জার্মান কাপ ও জার্মান সুপার কাপ।
বিশ্বকাপেও তিনি ছিলেন উজ্জ্বল। গোল করেন ছয়টি। আর্জেন্টিনার কাছে সেমি-ফাইনালে হেরে গেলেও ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় হয় ইংল্যান্ড। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ইংলিশদের সেরা সাফল্য এটি।
এমন মৌসুমের পর ব্যালন দ’র জয়ের লড়াইয়ে তার থাকাটা স্বাভাবিকই। যদিও গত কিছুদিনে এমবাপে একাধিকার বলেছেন, তার চেয়ে যোগ্য কাউকে তিনি দেখেন না। রেয়াল মাদ্রিদ ও ফ্রান্স কোনো ট্রফি জিততে না পারলেও ব্যক্তিগত পুরস্কারে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করেন গত মৌসুমে লা লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার।
বার্সেলোনার লিগ জয় ও স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে অবদান রাখা ইয়ামাল বলেছেন, নিজেকেই তিনি সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করেন।
কেইন এখানে উল্টো দর্শনের মানুষ। স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ইংলিশ অধিনায়ক বললেন, নিজের কথা বলতে তিনি খুব আগ্রহী নন।
“নিজের সম্পর্কে খুব বেশি কথা বলতে কখনোই পছন্দ করি না আমি। শুধু এটুকুই বলব যে, গত মৌসুমটি ব্যক্তিগতভাবে এবং দলের জন্য অবিশ্বাস্য ছিল। নিঃসন্দেহে আমার জীবনের সেরা মৌসুম ছিল এটি।”
বুন্ডেসলিগায় ৩৬ গোল করে গত মৌসুমে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জিতে নন কেইন। ক্লাব ও দেশের হয়ে তার মোট ৭৩ গোলের চেয়ে বেশি গোল কেউ করতে পারেন গত ১৪ বছরে। ২০১১-১২ মৌসুমে লিওনেল মেসি করেছিলেন ৮২ গোল।
নিজের এই পারফরম্যান্সে তৃপ্ত কেইন এখন ব্যালন দ’র নিয়ে না ভেবে তাকাচ্ছেন নতুন মৌসুমে।
“এটি নিয়ে আমি খুবই গর্বিত... কিন্তু ব্যালন দ’র তো আমার হাতে নেই। যারা ভোট দেন, তাদের ওপর এটা নির্ভর করে।
আমার চোখে গত মৌসুম এখন অতীত। এখন আমি নতুন মৌসুমে মনোযোগ দিচ্ছি এবং আরও কী কী অর্জন করতে পারি, তা দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।”
আগামী ২৬শে অক্টোবর লন্ডনে দেওয়া হবে এবারের ব্যালন দ’র। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর গত ২৫ বছরে এটি জিততে পারেননি কোনো ইংলিশ ফুটবলার।