Published : 16 Jun 2025, 09:43 AM
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েল ও ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে বলে তিনি আশাবাদী, তবে কখনও কখনও দেশগুলো আগে লড়াই করে নেয়।
কানাডায় জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে দেশ ছাড়ার আগে রোববার সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রতিরক্ষা সহায়তা দিয়ে যাবে বলে জানালেও মিত্র তেল আবিবকে ইরানে হামলা স্থগিত রাখতে বলেছিলেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাব দেননি মার্কিন এ প্রেসিডেন্ট।
“আশা করছি চুক্তি হবে। আমার মনে হয় এখন একটি চুক্তির সময়, দেখা যাক কী হয়। কখনও কখনও তারা আগে লড়াই করে নেয়, দেখা যাক কী ঘটে,” বলেছেন ট্রাম্প।
তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে দাবি করে এ ধরনের অস্ত্র ইরানের হাতে গেলে তা তেল আবিবের ‘অস্তিত্বকে হুমকির মুখে’ ফেলবে জানিয়ে শুক্রবার থেকে শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে তুমুল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।
গত তিন দিন ধরে ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি সরকারি স্থাপনা, জ্বালানি ও বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে তেল আবিব। ইরানের সামরিক বাহিনীর দুই ডজনের বেশি কর্মকর্তা এবং অন্তত ১৪ জন শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীকেও হত্যার দাবি করেছে তারা।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তারা এখন খোলামেলাই বলছেন, তাদের হামলার লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন।
এই লক্ষ্য পূরণ হবে, নাকি উল্টো তেহরানের মোল্লাতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী নৈতিক ভিত্তি দেবে তা নিয়ে বিশ্লেষকরা সন্দিহান।
ইসরায়েলের হামলার পাল্টায় প্রতিদিনই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে জবাব দিচ্ছে ইরান। তেল আবিব, হাইফাসহ একাধিক স্থানে সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে তেহরানের ব্যালিস্টিক হামলায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্রও গণমাধ্যমে আসছে।
দুই পক্ষের এমন পাল্টাপাল্টি হামলা, বেসামরিক হতাহতের ঘটনা অঞ্চলজুড়ে বড়সড় যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করছে। উভয় পক্ষই একে অপরের স্থাপনায় আরও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, এজন্য তারা অপর পক্ষের বেসামরিকদের সামরিক ও সংবেদনশীল স্থাপনা এড়িয়ে চলতেও অনুরোধ করেছে।