১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার দুপুরে শেরপুরের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।
২০২২ সালের ২৮ জানুয়ারি রাতে স্মৃতিকে ঘরের ভেতরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে জানান পিপি।
এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক আছেন।
“আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের পুত্রকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
২০১৬ সালের ২১ মার্চ গৃহবধূর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে জানান পিপি।
২০১৮ সালের ১ অগাস্ট এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
২০১৩ সালের ২২ অক্টোবর রাতে মাহিনুরের হাত-পা ও মুখ বেঁধে নির্যাতনের পর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়া হয়।
আরিফুল নিজ বাড়িতে তন্নীকে নেয়নি। এ অবস্থায় রোববার তন্নী নিজে স্বামীর বাড়িতে গিয়ে ওঠে।