Published : 04 Jul 2023, 06:43 PM
প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের আঘাত সহ্য করেও বেঁচে ফিরে এসেছিল নিনটেনডোর একটি গেইম বয় কনসোল। নিউ ইয়র্কের রকফেলার সেন্টারে নির্মাতা কোম্পানির ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে এতােদিন সদম্ভে নিজের ও কোম্পানির সক্ষমতা জানান দিয়েছে এটি।
সেই কনসোলটিকে শেষ পর্যন্ত ডিসপ্লে থেকে সরিয়ে নিয়েছে নিনটেনডো।
বহুবছর ডিসপ্লেতে থাকা গেইম বয়টি আর সেখানে নেই, এমন খবর সম্প্রতি জানিয়েছে ‘ভিডিও গেইমস আর্ট অ্যান্ড টিড বিটস।’
একজন কর্মী তাদের জানিয়েছেন সেটিকে ওয়াশিংটনে নিনটেনডোর যুক্তরাষ্ট্রের সদর দপ্তরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সম্ভবত কয়েকমাস আগেই সেটিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সাইট ভার্জ। গত ফেব্রুয়ারিতে স্টোরটির ওপর একটি ভিডিও প্রকাশ করেন ইউটিউবার এলিয়ট কোল। সেখানে নেপথ্য কণ্ঠে একজনকে বলতে শোনা গেছে, “আরও নিরাপদে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কিছুদিনের জন্য সদর দপ্তরে পাঠানো হবে।”
তবে জানুয়ারিতে যখন ভিডিওটি বানানো হয় তখন পর্যন্ত সেটি নিউ ইয়র্কের স্টোরেই ছিলো।
গেইমিং কনসোলটির পেছনের দিকটি অক্ষত থাকায় সেটি ঠিকঠাক ছিলো বলে ধারণা দ্যা ভার্জের, কারণ কনসোলটির আসল মালিক সংবাদ সংস্থাটিকে জানিয়েছেন, কনসোলটির ক্ষতি আসলে বোমার আঘাতে হয়নি।
এর মূল মালিক স্টেফান স্কগিনস ছিলেন ৯০ এর দশকে নিনটেনডো’র মালিকানাধীন প্রকাশনা ‘নিনটেনডো পাওয়ারে’র নিয়মিত পাঠক। তিনি পত্রিকাটির কাছে লেখেন, গেইম বয়টি তিনি বদলে নিতে পারবেন কিনা? ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্মে’ তিনি সে সময় নার্স হিসাবে কাজ করছিলেন।
কারণ হিসাবে তখন তিনি বলেছিলেন “মধ্যপ্রাচ্যে দায়িত্ব পালনের সময় আগুন লেগে কনসোলটি পুড়ে যায়।”
পরে তিনি ভার্জের কাছে স্বীকার করেন যে, “কোনো বোমার আঘাত নয়, আগুনেই আমাদের তাবু পুড়ে গিয়েছিলো।”
তিনি অনুমান করেন, দুটো ভিন্ন ঘটনায় একটি আরেকটির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। সে সময় ওই এলাকায় বোমা হামলা চলছিলো, স্কগিনস বলেন “তবে, আমরা সেই হামলার শিকার ছিলাম না।”
নিনটেনডোর গণসংযোগ বিভাগের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কোনো জবাব পায়নি, বলেছে দ্যা ভার্জ।