১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বের সবচেয়ে বড় চিপ কারখানা তৈরির ঘোষণা মাস্কের

এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য, প্রতি বছর এক টেরাওয়াট সমপরিমাণ কম্পিউটিং শক্তি উৎপাদন করা, যাতে মাস্কের বিভিন্ন কোম্পানির ক্রমাগত চিপের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় চিপ কারখানা তৈরির ঘোষণা মাস্কের
মাস্কের এ নতুন প্রকল্পের নাম ‘টেরাফ্যাব’। ছবি: টেরাফ্যাব

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Mar 2026, 12:01 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:14 PM

বিশ্বের সবচেয়ে বড় চিপ উৎপাদন কারখানা তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন ইলন মাস্ক। টেসলা, স্পেসএক্স ও এক্সএআইয়ের এই যৌথ উদ্যোগে ব্যয় হবে প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার।

প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট প্রতিবেদনে লিখেছে, মাস্কের এই নতুন প্রকল্পের নাম ‘টেরাফ্যাব’। এটি হবে টেসলা, স্পেসএক্স ও এক্সএআইয়ের এক যৌথ উদ্যোগ।

নিজের চিরচেনা জাঁকজমকপূর্ণ ভঙ্গিতে মাস্ক দাবি করেছেন, সৌরশক্তি কাজে লাগানো ও ‘গ্যালাকটিক’ বা তারাপুঞ্জজুড়ে সভ্যতা গড়ে তোলার পথে টেরাফ্যাব হবে পরবর্তী বড় পদক্ষেপ।

টেসলা, স্পেসএক্স ও এক্সএআই এ তিন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী মাস্ক নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক লাইভস্ট্রিমের মাধ্যমে এ পরিকল্পনার কথ্য তুলে ধরেন।

নাম থেকেই বোঝা যায় এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য, প্রতি বছর এক টেরাওয়াট সমপরিমাণ কম্পিউটিং শক্তি উৎপাদন করা, যাতে মাস্কের বিভিন্ন কোম্পানির ক্রমাগত চিপের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়।

লাইভস্ট্রিমে মাস্ক বলেছেন, স্যামসাং, টিএসএমসি ও মাইক্রনের মতো বর্তমান সাপ্লাই চেইন পার্টনারদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে টেসলা ও স্পেসএক্সের যে পরিমাণ কম্পিউটিং শক্তির প্রয়োজন হবে বর্তমান চিপ নির্মাতাদের পক্ষে তার কেবল দুই শতাংশ পূরণ করা যাবে।

মাস্ক বলেছেন, “হয় আমাদের ‘টেরাফ্যাব’ তৈরি করতে হবে না হলে আমরা প্রয়োজনীয় চিপ পাব না। আমাদের অনেক চিপ দরকার।”

২ হাজার কোটি ডলারের এ প্রকল্প টেক্সাসের অস্টিনে ‘অ্যাডভান্সড টেকনোলজি ফ্যাব’-এর মাধ্যমে শুরু হবে। এখানেই এখন টেসলার সদর দপ্তর।

মাস্ক বলেছেন, এ কারখানায় দুই ধরনের চিপ তৈরি হবে। একটি পৃথিবীতে থাকা বিভিন্ন কাজের জন্য, যেমন টেসলার ‘ফুল সেলফ ড্রাইভিং’ প্রযুক্তি বা ‘অপটিমাস’ রোবট পরিচালনায় এবং অন্যটি মহাকাশে ব্যবহারের উপযোগী শক্তিশালী ও টেকসই চিপ।

স্পেসএক্সের সিইও হিসেবে মাস্ক এ বছরের শুরুতে ‘অরবিটাল ডেটা সেন্টার’ তৈরির লক্ষ্যে ১০ লাখ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন বা এফসিসি’র কাছে আবেদন করেছেন।

এ পরিকল্পনা শুনতে যতটা আশাব্যাঞ্জক মনে হচ্ছে ততটা কার্যকর হবে কি না তা সময় বলে দেবে।

এর আগেও মাস্ক হাইপারলুপ, ৪০ হাজার ডলারের সাইবারট্রাক ও সম্পূর্ণ স্বচালিত ড্রাইভিংয়ের মতো বিভিন্ন প্রকল্পতে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা করতে পারেননি।