২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এ আইপিও যেমন একঝটকায় মাস্কের সম্পদকে আকাশচুম্বী করে তুলেছে তেমনই তার বিপুল সম্পত্তিকে বেঁধে ফেলেছে শেয়ারবাজারের সঙ্গেও।
স্পেসএক্সের আইপিও হাজার হাজার নতুন কোটিপতি তৈরি করেছে এবং বেশ কয়েকজন বিনিয়োগকারীর মালিকানা ১০০ কোটি ডলারের ঘর ছাড়িয়েছে।
নতুন মহাকাশযানটি মঙ্গলে চারটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র বহন করে নিয়ে যাবে, যা মঙ্গলের বাতাস, তাপমাত্রা, ধূলিকণা ও মেঘের সমন্বিত চিত্র প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরবে।
লেনদেনের একপর্যায়ে স্পেসএক্সের বাজার মূল্য সর্বোচ্চ ২.৯৭ ট্রিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছায়, যা অ্যামাজনের ২.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে বিশ্বের পঞ্চম শীর্ষ মূল্যবান কোম্পানিতে পরিণত করেছে।
শেয়ার বিক্রির এ বিশাল কর্মযজ্ঞের নেতৃত্বে ছিল ওয়াল স্ট্রিটের দুই শীর্ষ নাম গোল্ডম্যান স্যাকস ও মরগান স্ট্যানলি। সঙ্গে সহযোগী হিসেবে ছিল ব্যাংক অফ আমেরিকা, সিটিগ্রুপ, জেপিমরগান চেজসহ একঝাঁক বড় ব্যাংক।
ওই প্রকৌশলী দাবি করেছেন, চ্যাটবটটিতে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা বসানোর চেষ্টা করায় তাকে অন্যায়ভাবে বরখাস্ত করেছে মাস্কের কোম্পানিটি।
“আপনি যদি কেবল আমার ভুলগুলোর তালিকা করেন তবে আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ বলেই মনে করবেন। তবে সেগুলোকে আমার করা সঠিক কাজগুলোর পাশাপাশি রেখে তুলনা করলে পুরো বিষয়টির যৌক্তিক অর্থ খুঁজে পাবেন।”
ইলন মাস্কের মোট সম্পদ প্রায় ২৭৫ বিলিয়ন ডলার বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৯৭০ বিলিয়ন ডলারে।