১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
জাপানের এ পরীক্ষার ঠিক একদিন আগেই সমুদ্রের বুকে বিশেষ নেট-ক্যাপচার প্রযুক্তি বা জাল দিয়ে ধরে ফেলার পদ্ধতির মাধ্যমে সফলভাবে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য রকেট অবতরণ করায় চীন।
পুঁজিবাজারে যাত্রার পর শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ২২৫ ডলারে গিয়ে ঠেকলে মোট বাজার মূল্যের দিক থেকে অ্যামাজন ও মাইক্রোসফটকেও ছাড়িয়ে যায় স্পেসএক্স।
এসব নতুন পোস্টের মাধ্যমে এআই কোম্পানি ওপেনএআইয়ের বিবর্তন ও এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই শীর্ষ প্রযুক্তি কর্তার নিজেদের দীর্ঘদিনের পুরানো বৈরিতাই আবারও সামনে এল।
এর আগে, পারমাণবিক শক্তিচালিত বিভিন্ন মিশনের মধ্যে রয়েছে নাসার ‘ভয়েজার ১’ ও ‘২ প্রোব’, যা ১৯৭৭ সালে উৎক্ষেপণের পর থেকে আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশ থেকে তথ্য পাঠাতে পারমাণবিক শক্তির উৎস ব্যবহার করছে।
স্পেসএক্সের রকেট, নকশা ও উৎক্ষেপণ সংক্রান্ত পোস্টের জন্য এখনও তাদের আলাদা অ্যাকাউন্টটি চালু রয়েছে।
বস্তুটি তৈরিতে মোটা অংকের অর্থ ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের অনেক দেশের বার্ষিক জিডিপির চেয়েও বেশি।
এ পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি স্টারবেইসে প্রাকৃতিক গ্যাস নেবে স্পেসএক্স, যাতে সেখানে একে তরল মিথেনে রূপান্তর করে স্টারশিপ রকেটে ব্যবহার করা যায়।
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এ আইপিও যেমন একঝটকায় মাস্কের সম্পদকে আকাশচুম্বী করে তুলেছে তেমনই তার বিপুল সম্পত্তিকে বেঁধে ফেলেছে শেয়ারবাজারের সঙ্গেও।