রিয়েলমির নতুন ফোনে ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্প আওয়ারের ব্যাটারি
নতুন ফোনটি সপ্তাহজুড়ে পাওয়ার ব্যাকআপ নিশ্চিত করবে, যা ব্যবহারকারীকে ভারী পাওয়ার ব্যাংক বহন করার ঝামেলা থেকে মুক্তি দেবে।
বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত বিশ্বের প্রথম ১০ হাজার এক মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার টাইটান ব্যাটারিসহ নতুন স্মার্টফোন বাজারে উন্মোচন করেছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি।
কোম্পানিটি বলেছে, ‘রিয়েলমি পি৪ পাওয়ার ফাইভজি’ নামের স্মার্টফোনের মাধ্যমে ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্প যুগে প্রবেশ করেছে তারা। দ্রুত পরিবর্তনশীল এ ডিজিটাল যুগে ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্প ক্ষমতার ব্যাটারি নিয়ে প্রায়ই সমস্যায় পড়েন ব্যবহারকারীরা। দীর্ঘ যাত্রা হোক, বা লাইভ কনটেন্ট স্ট্রিমিং বা পাওয়ার ওঠানামার সময়েও কানেক্টেড থাকার ক্ষেত্রে এখন ‘আল্ট্রা-এনডিওরেন্স’-এর চাহিদা বাড়ছে। এ ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে রিয়েলমি।
নতুন ফোনটি সপ্তাহজুড়ে পাওয়ার ব্যাকআপ নিশ্চিত করবে, যা ব্যবহারকারীকে ভারী পাওয়ার ব্যাংক বহন করার ঝামেলা থেকে মুক্তি দেবে। নেক্সট-জেনারেশন সিলিকন-কার্বন অ্যানোড প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১০ হাজার এক মিলিঅ্যাম্প টাইটান ব্যাটারি তৈরি করেছে কোম্পানিটি। ফলে, ডিভাইসটি ৯ দশমিক ০৮ মিলিমিটার পুরু ও কেবল ২১৯ গ্রাম ওজনের, যা সক্ষমতার সঙ্গে আর্গোনোমিক্সের ভারসাম্য দেবে বলে দাবি রিয়েলমির।
স্মার্টফোনের ব্যাটারিটি বিশ্বের প্রথম টিইউভি ফাইভ-স্টার ব্যাটারি সেইফটি সার্টিফিকেশন পেয়েছে, যা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার চরম পরিস্থিতিতেও কার্যকর থাকবে।
রিয়েলমি বলেছে, ডিভাইসের ইন্টেলিজেন্ট চার্জিং ম্যানেজমেন্ট টানা আট বছর ব্যবহারের পরও ব্যাটারি হেলথ ৮০ শতাংশের ওপরে থাকার নিশ্চয়তা দেবে। এ ব্যাটারি সক্ষমতার সঙ্গে পাল্লা দিতে ‘পি৪ পাওয়ার’ ফোনে ৮০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ও অন্যান্য অ্যাকসেসরিজ চার্জ করতে পারে এমন দ্রুততম ২৭ ওয়াট রিভার্স চার্জিং ব্যবহার করেছে কোম্পানিটি।
এ ছাড়াও, এতে ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের ডাইমেনসিটি ৭৪০০ আল্ট্রা ফাইভজি চিপসেট, ১৪৪ হার্টজ হাইপারগ্লো ৪ডি কার্ভ+ অ্যামোলেড ডিসপ্লে ও সূর্যের আলোতেও ৬ হাজার ৫০০ নিটস পিক ব্রাইটনেস সুবিধা এনেছে রিয়েলমি।
ফ্ল্যাশ অরেঞ্জ ও পাওয়ার সিলভার এ দুই রঙে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি। ডিভাইসটিতে ‘ভিজিবল পাওয়ার’ ডিজাইন ব্যবহার করেছে কোম্পানিটি, যেখানে ট্রান্সপারেন্ট অংশের মাধ্যমে ইন্টারনাল সার্কিট দেখানো হয়েছে। ‘আইপি৬৯ গ্রেড প্রোটেকশন’ ও ‘আর্মারশেল ডিউরেবিলিটি’র সমন্বয়ে ডিভাইসটি তৈরি হয়েছে।
