১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার স্ন্যাপচ্যাট ও ফেইসটাইম নিষিদ্ধ করল রাশিয়া

এ নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার যোগাযোগ ও সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার অংশ, যা ২০২২ সালে ইউক্রেইন আক্রমণের পর থেকে শুরু হয়েছে।

এবার স্ন্যাপচ্যাট ও ফেইসটাইম নিষিদ্ধ করল রাশিয়া
এ নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার যোগাযোগ ও সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার অংশ। ছবি: রয়টার্স

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Dec 2025, 03:07 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:15 PM

জনপ্রিয় গেইমিং প্ল্যাটফর্ম রোবলক্স বন্ধের পর এবার সামাজিক মাধ্যম অ্যাপ স্ন্যাপচ্যাট ও অ্যাপলের তৈরি ভিডিও ও অডিও কলিং পরিষেবা ফেইসটাইম নিষিদ্ধ করেছে রাশিয়া।

দেশটির ফেডারেল মিডিয়া মনিটরিং ও সেন্সরশিপ সংস্থা রসকমনাদজর রাশিয়ার মধ্যে অ্যাপ দুটিতে প্রবেশাধিকার ব্লক করেছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে মার্কিন বাণিজ্য প্রকাশনা ব্লুমবার্গ।

রাশিয়ান সংবাদ পরিষেবা ইন্টারফ্যাক্সের বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ প্রতিবেদনে লিখেছে, এসব প্ল্যাটফর্ম ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রম সংগঠিন, বাস্তবায়ন’ এবং প্রতারণার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। ফলে অ্যাপ দুটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে রাশিয়া।

ব্যবহারকারীরা কেউ ভিপিএন ব্যবহার করে এখনও স্ন্যাপচ্যাট ও ফেইসটাইম ব্যবহার করতে পারছেন কি না তা স্পষ্ট নয়। তবে এ নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার যোগাযোগ ও সামাজিক মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টার অংশ, যা ২০২২ সালে ইউক্রেইন আক্রমণের পর থেকে শুরু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট।

এর আগে, ২০২২ সালের মার্চে মেটা মালিকানাধীন ফেইসবুক এবং ইলন মাস্কের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স বন্ধ করেছিল রাশিয়া। এর কিছু সময় পর ইনস্টাগ্রামও নিষিদ্ধ করে এবং ২০২৪ সালে এনক্রিপ্ট করা মেসেজিং অ্যাপ সিগন্যালও বন্ধ করেছে দেশটি।

২০২৫ সালের জুলাইতে মেটার মালিকানধীন মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের হুমকি দিয়েছে রাশিয়া।

রাশিয়ান নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে এনগ্যাজেটের মন্তব্যের অনুরোধে সড়া দেয়নি অ্যাপল ও স্ন্যাপ।

এসব অ্যাপ বন্ধ বা সীমিত করার মাধ্যমে রাশিয়া চাইছে দেশের যোগাযোগের পথ ও কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ করতে। রসকমনাদজর বলেছে, ‘এলজিবিটি প্রচারণা’ রোধের জন্য রোবলক্স নিষিদ্ধ করেছে তারা।

একইসঙ্গে দেশটির লোকজন যাতে ‘ম্যাক্স’ নামে রাশিয়া সরকারের তৈরি অ্যাপ ব্যবহার করে সেই চেষ্টাও হতে পারে দেশটির এমন পদক্ষেপ। অ্যাপটি দিয়ে যোগাযোগ, ব্যাংকিং ও নথি সংরক্ষণ ইত্যাদি নানা কাজ করা যায়।

নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, রাশিয়ার এমন উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য, দেশটির নিজের প্রযুক্তি খাতকে উৎসাহ দেওয়া, বিদেশি কোম্পানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং সরকারের নাগরিক পর্যবেক্ষণ সহজ করা।