Published : 26 Jun 2026, 12:13 PM
আইভরি কোস্টের কাছে হার এবং কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ড্রয়ে ভীষণ চাপে ছিল একুয়েডর। গণমাধ্যম ও ভক্তদের সঙ্গে কোচ সেবাস্তিয়ান বেক্কাচেচের সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছিল তলানিতে। পিছিয়ে পড়েও জার্মানির বিপক্ষে অবিস্মরণীয় জয়ের পর সে সব ভুলে গেলেন বেক্কাচেচে। আর্জেন্টাইন কোচ বললেন, এই জয় উদযাপন করা উচিত একুয়েডরের সবার।
নিউ ইয়র্কে বৃহস্পতিবার রাতে ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে ২-১ গোলে জিতেছে একুয়েডর। সেরা আট তৃতীয় দলের একটি হয়ে জায়গা করে নিয়েছে শেষ বত্রিশে।
ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন কোচের কণ্ঠে উচ্ছ্বাস বোঝা গেল স্পষ্ট।
“এখন সময় উদযাপনের। নিজের অনুভূতি পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার এবং বিয়ার পানের।”
“বিশ্বকাপে এটি একুয়েডরের সবচেয়ে বড় জয়। আমরা এটার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমরা এখানে এসেছি একুয়েডরের সেরা বিশ্বকাপে পরিণত করার স্বপ্ন নিয়ে আর আমরা সেটা করেছি।”
বিশ্বকাপে চতুর্থবার খেলছে একুয়েডর। ২০০৬ আসরে শেষ ষোলোয় খেলেছিল তারা।
টুর্নামেন্টের শুরুটা ভালো ছিল না একুয়েডরের। ৯০তম মিনিটে গোল হজম করে হারে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে। জার্মানির বিপক্ষে ৭-১ ব্যবধানে হেরে আসা কুরাসাওয়ের বিপক্ষে পরের ম্যাচে করে গোলশূন্য ড্র। সেখান থেকে নিজেদের খেলায় উন্নতি করায় ফুটবলারদের প্রশংসা করলেন কোচ। একই সঙ্গে বললেন, খেলার ধরনে কোনো পরিবর্তন আনেননি তারা।
“আমরা স্থিরতা ধরে রেখেছি। আমরা খেলার একই ধরন ধরে রেখেছিলাম।”
বেক্কাচেচে মনে করেন, প্রথম দুই ম্যাচের ফল তার দলের প্রাপ্য ছিল না।
“ফুটবল এমনই: কোনোদিন আপনি জিতবেন, কোনোদিন আপনি হারবেন। আগে আমরা নরকে ছিলাম না, এখনও আমরা স্বর্গে নেই। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে ভারসাম্য।”
“আমি মনে করি না, আমরা কুরাসাওয়ের চেয়ে ভালো। আবার এটা মনে করি না যে, আমরা জার্মানির চেয়ে পিছিয়ে। আমরা নম্রতা ও বিচক্ষণতা বজায় রেখে এগিয়ে যাব।”
শেষ বত্রিশের প্রতিপক্ষের নাম জানার জন্য এখন অপেক্ষায় আছেন বেক্কাচেচে।