Published : 23 Jun 2026, 08:58 AM
‘জেড, জেড, জেড, জেগো ওঠো!”- অনুশীলনে একটা পাসিং ড্রিলের সময় জেড স্পেন্সকে তাগাদা দিতে চিৎকার করে এটুকুই বলছিলেন টমাস টুখেল। ব্যাস, সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।
এ নিয়ে কথা বলতে হলো স্পেন্সকেও। টকস্পোর্টসকে এই ইংলিশ ডিফেন্ডার বলেছেন, কোচের ওই চিৎকার খেয়াল করেননি। তবে, ট্রেনিংয়ের সময় টুখেল কতটা সিরিয়াস থাকেন, সেটা তুলে ধরতে গিয়ে কোচের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ২৫ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার।
“এটা স্বাভাবিক। তিনি দারুণ একজন কোচ। খেলোয়াড়দের কাছে সর্বোচ্চটা চান। তার চাহিদা অনেক উঁচু মানের পারফরম্যান্স এবং এই টুর্নামেন্টে সেটা করার জন্য আমাদের প্রস্তুত হতে হবে; সেরাটা দিতে হবে।”
“আমাদের প্রতিটি সেশন সর্বোচ্চ মানের হওয়া প্রয়োজন। এটাই তিনি চান। এটা ভালো। আমিই প্রথম জন নই, যাকে তিনি এই কথাগুলো বললেন। এটাই খেলার অংশ।”
ছয় গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপে শুভসূচনা করেছে টুখেলের দল। মঙ্গলবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ড মুখোমুখি হবে ঘানার। ম্যাচটি জিতলে নকআউট পর্বে উঠবে ১৯৬৬ সালে প্রথম ও সবশেষ শিরোপা জেতা ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপে ইংলিশদের দীর্ঘদিনের হাহাকার ঘোঁচাতে জার্মান কোচে আস্থা রেখেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন (এফএ)। স্পেন্সও বললেন, দলকে এক সুঁতোয় গেঁথে রেখে, সেরাটা বের করে আনার দিকে, টুখেল সবসময় গুরুত্ব দেন বেশি।
“তিনি দারুণ একজন ম্যানেজার, ভালো মানুষ। যেটা করতে চান, সেটার খুঁটিনাটি বলে দেন। তাকে আমি অনেক শ্রদ্ধা করি। সবসময় তিনি এমনটাই বলেন যে, আমরা একটা পরিবার, দলের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি করেছি আমরা এবং সবার একই স্বপ্ন, একই ভাবনা।”
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও নিয়ে অবশ্য মজাও করলেন স্পেন্সের সতীর্থ ওলি ওয়াটকিনসন। তবে, অ্যাস্টন ভিলার এই স্ট্রাইকারও প্রশংসায় ভাসালেন টুখেলকে।
“ভাগ্য ভালো ছিল যে, ওটা আমি ছিলাম না। আমার মনে হয়, জেডের আগে আমিও একটা ভুল করেছিলাম, কিন্তু সে জেডকে উদ্দেশ করে চিৎকার করেছে, সৌভাগ্যবশত।”