Published : 04 Jul 2026, 04:35 PM
কেইপ ভার্ডের প্রবল প্রতিরোধ ভেঙে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার টিকে থাকায় বড় অবদান লিওনেল মেসির। গোল করেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক, গোলে রেখেছেন অবদান। তাতে রেকর্ডের অনেক পাতায় আঁচড় কেটেছেন এই মহাতারকা।
শেষ বত্রিশে বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৩-২ গোলে কেইপ ভার্ডকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে মেসি, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ভজিনিয়াদের অর্জনগুলো তুলে ধরা হলো-
২০
প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ২০ গোল করলেন লিওনেল মেসি (পুরুষ ও নারী বিশ্বকাপ মিলিয়ে)। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা কিলিয়ান এমবাপের গোল ১৮ টি।
১২
কিংবদন্তি পেলে ও এক সময়ের সতীর্থ এমবাপেকে ছাড়িয়ে ফিফা বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে সবচেয়ে বেশি ১২ গোলে অবদান রেখেছেন মেসি (৬ গোল ও ৬ অ্যাসিস্ট)। ৬০ বছরের মধ্যে নক আউট পর্বে এটাই রেকর্ড।
৮
প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে টানা ৮ ম্যাচে গোল পেয়েছেন মেসি।
৭+
প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের দুই আসরে ৭ বা এর চেয়ে বেশি গোল করেছেন। এমবাপে চলমান বিশ্বকাপে করেছেন ৬ গোল।
৭
যে কোনো বিশ্বকাপে আর্জেন্টাইন হিসেবে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড নিজের করে নিতে দুই গোল প্রয়োজন মেসি। ১৯৩০ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে গিয়ের্মো স্তাবিলে ৮ গোল করেন। তাকে স্পর্শ করে মেসির দরকার আর এক গোল।
৫
বিশ্বকাপে টানা পাঁচ নক আউট ম্যাচে গোল করেছেন মেসি। তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন। এর আগে টানা পাঁচ নক আউট পর্বে গোল করেছেন হাঙ্গেরির ডিওর্ডি শারোশি এবং ব্রাজিলের ভাভা। ব্রাউজলের লিওনিদাস তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও গোল করেছিলেন। তবে সেটি নক আউট পর্বের ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না।
১০
নক আউট পর্বের ১০ ম্যাচে কোনো না কোনোভাবে গোলে অবদান রেখেছেন মেসি (৬ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট)। শেষ পাঁচ ম্যাচে করেছেন গোল।
১৪
বয়স ৩৫ পার করে বিশ্বকাপে মেসির গোল সংখ্যা ছিল ১৪। এর আগে সর্বোচ্চ ৫ গোল করেছিলেন রজার মিলা। ৩৫ পার করা ফুটবলারদের সম্মিলিত গোল সংখ্যা ২৫।
১৪
ফিফা বিশ্বকাপে ২২ দলের বিপক্ষে খেলেছেন মেসি। এর মধ্যে ১৪ প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই পেয়েছেন গোল।
৩
তৃতীয় বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে নক আউট পর্বে গোল করেছেন মেসি (৩৪ বছর ৯ দিন)। সবার উপরে আছেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (৪২ বছর ৩৯ দিন) ও পেপে (৩৯ বছর ২৮৩ দিন)।
১
লিসান্দ্রো মার্তিনেস প্রথমবার আন্তর্জাতিক ফুটবলে অ্যাসিস্ট করলেন। দশম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে মেসিকে অ্যাসিস্ট করেন তিনি।
৪২.৫ মিটার দূর থেকে অ্যাসিস্ট করেন মার্তিনেস। সবশেষ ৬০ বছরে আর্জেন্টাইনদের মধ্যে এটাই সবচেয়ে দূর থেকে করা অ্যাসিস্ট।
১
প্রথম আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার হিসেবে একই ম্যাচে অ্যাসিস্ট ও গোল করেছেন মার্তিনেস (১৯৬৬ বিশ্বকাপ থেকে হিসেবে করে)।
৩০ ও ১৩
লিওনেল মেসি বিশ্বকাপে তার ৩০তম ম্যাচ খেলেছেন। প্রথম ফুটবলার হিসেবে পুরুষদের বিশ্বকাপ ৩০ ম্যাচ খেলেছেন। নারী ফুটবল বিশ্বকাপে ক্রিস্টিন লিলি ৩০ ম্যাচ খেলেছেন।
এটি মেসির ১৩তম নকআউট ম্যাচ। সবার উপরে থাকা মিরোস্লাভ ক্লোসা খেলেছেন ১৪ ম্যাচ।
১
দিরয় দুয়ার্তে কেপ ভার্দের হয়ে বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে প্রথম গোল করেছেন। প্রথম আফ্রিকান ফুটবলার হিসেবে নক আউট পর্বে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গোল করলেন তিনি।
১০০
লিওনেল স্কালোনির কোচিংয়ে ১০০ ম্যাচ খেলেছে আর্জেন্টিনা। এই সময়ে দলটি ৭২ জয়, ১৮ ড্র ও ৯ হার দেখেছে। তার কোচিংয়ে দুটি কোপা আমেরিকা, একটি করে বিশ্বকাপ ও ফাইনালিনস্সিমা জিতেছে আর্জেন্টিনা।
৫
পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে বয়স ৪০ পার করে বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন কেপ ভার্দ গোলরক্ষক ভজিনিয়া।
১৮
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৮ সেভসহ এবারের বিশ্বকাপে ১৮ সেভ করেছেন ভজিনিয়া। বিশ্বকাপের এবারের আসরে তৃতীয় সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড। সবার উপরে আছেন কুরাসাওয়ের ইলয় রুম। দুই আছেন প্যারাগুয়ের ওর্লান্দো হিল (১৯)।
৮
আফ্রিকান গোলরক্ষকদের মধ্যে নকআউট পর্বে সবচেয়ে বেশি সেভ করেছেন ভজিনিয়া।
৩
দিনি বর্গেস ১১১তম মিনিটে আত্মঘাতী গোল করেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে সবচেয়ে দেরিতে গোল হয়েছে কেবল দুটি। ২০১৪ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ১১৮তম মিনিটে জালের দেখা পান আনহেল দি মারিয়া। ওই ম্যাচের পর এবার দেরিতে কোনো গোল পেল আর্জেন্টিনা।
৫৩
১৯৬৬ বিশ্বকাপ থেকে সেট পিস থেকে এবারের আসরে সবচেয়ে বেশি ৫৩ গোল হয়েছে।
১২
বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি ১২টি অতিরিক্ত সময়ে যাওয়া ম্যাচ খেলেছে আর্জেন্টিনা।