Published : 01 Jul 2026, 06:55 PM
পাঁচ দশক পর বিশ্বকাপে ফেরাই ডিআর কঙ্গোর জন্য বড় অর্জন। সেখানে একের পর এক চ্যালেঞ্জ উৎরে এখন তারা খেলবে নকআউট পর্বে, প্রতিপক্ষ আবার ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দল। প্রত্যাশার সীমানা ছাড়িয়ে যাওয়া দলটির কোচ সেবাস্টিয়ান দাসাবরাহ বললেন, নির্ভার থেকে এই লড়াইয়ে নামবেন তারা। কারণ ইংলিশদের বিপক্ষে হারানোর কিছুই নেই তাদের।
এবারের আগে সবশেষ ১৯৭৪ সালে বিশ্বকাপে খেলেছিল কঙ্গো, তখন তারা গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই হেরেছিল। ৫২ বছর আগের ওই আসরে একটি গোলও করতে পারেনি আফ্রিকার দলটি।
উত্তর আমেরিকা আসরে ফিরে প্রথম ম্যাচেই গোলের দেখা পায় কঙ্গো। সবাইকে চমকে দিয়ে সাবেক ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালের সঙ্গে ১-১ ড্র করে তারা। পরের ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে হারে ১-০ গোলে।
শেষ গ্রুপ ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তৃতীয় সেরা আটটি দলের একটি হয়ে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নেয় কঙ্গো। শেষ ষোলোয় ওঠার লড়াইয়ে আটলান্টায় বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত দশটায় ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে তারা।
সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হতে রোমাঞ্চ নিয়ে অপেক্ষায় আছে কঙ্গো। দাসাবরাহ বললেন, ইংলিশদের বিপক্ষে খেলতে পারাকেই নিজেদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন তারা।
“৫২ বছরের দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর বিশ্বকাপে ফিরে আসাটাই ছিল আমাদের জন্য একটা বড় অর্জন এবং উন্নতির প্রমাণ। প্রথম ম্যাচে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট পাওয়া, প্রথম গোল করা- এগুলো ছিল একেকটি ধাপ। এরপর এক ম্যাচে তিন গোল করে বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতা ছিল আরেকটি বড় পদক্ষেপ। আর এখন শেষ বত্রিশে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা তো আরও একটা ধাপ।”
“তাই সত্যি বলতে, আগামীকালের ম্যাচে আমাদের হারানোর তেমন কিছুই নেই। তবে আমরা এটিকে একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে নিচ্ছি। কারণ, আমরা এখানে এসেছি, তার একমাত্র কারণ আমরা এর যোগ্য।”
এবারের বিশ্বকাপের ফেভারিটদের একটি ইংল্যান্ড। তাই দাসাবরাহ মনে করছেন, তাদের বিপক্ষে বাড়তি চাপ নিয়েই মাঠে নামবে হ্যারি কেইনের দল।
“চাপ অবশ্যই ইংল্যান্ড দলের উপর থাকবে। কারণ তাদের নিজেদের লক্ষ্য অনুযায়ী এগিয়ে যেতে হবে।”
“পরের ধাপে যেতে আমরা সব চেষ্টাই করব। আর এটাই আমি খেলোয়াড়দের বলেছি। তারাও নিজেদের বলছে, এটা শুধু বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ নয়; বরং আরেকটি বড় কীর্তি গড়ার দারুণ সুযোগ।”