Published : 13 Jun 2026, 12:32 PM
মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান। এই প্রতিযোগিতা, এই সময় যে নিজের ক্যারিয়ারে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে তা স্পষ্ট বুঝতে পারছেন ভিনিসিউস জুনিয়র। ২৪ বছরের খরা কাটিয়ে ষষ্ঠ শিরোপা জিততে লাতিন আমেরিকার দেশটির সবচেয়ে বড় ভরসা তো তিনিই।
আক্রমণভাগে আরও তারকা আছেন, নেইমারের মতো মহাতারকা আছেন। কিন্তু গতিময় ফুটবলে প্রতিপক্ষের রক্ষণ নাড়িয়ে দিতে রেয়াল মাদ্রিদের ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের উপরই বেশি নির্ভর করবে তারা। তার কাছে প্রত্যাশা কতটা, ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন ভিনিসিউস।
“এটা আমার জীবন ও আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।”
চোটের জন্য মরক্কোর বিপক্ষে খেলতে পারবেন না নেইমার। তাতে পাদপ্রদীপর আলো এখন পুরোপুরি ভিনিসিউসের ওপর। গত কয়েক বছরের হতাশা দূর করতে যিনি উন্মুখ।
২০২১ কোপা আমেরিকার ফাইনালে দেশের মাটিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হারে ব্রাজিল। পরের বছর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে বিদায় নেয় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হেরে। ২০২৪ কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার-ফাইনালে বিদায় নেয় উরুগুয়ের বিপক্ষে হেরে। ব্যর্থতার চক্র ভাঙতে ক্লাব ফুটবলে দারুণ সফল কার্লো আনচেলত্তিকে কোচ করে আনে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। ইতালিয়ান কোচকে জাতীয় দলে পেয়ে ভীষণ খুশি ভিনিসিউস।
“আনচেলত্তির কোচিংয়ে খেলা সবসময়ই আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। কারণ, রেয়াল মাদ্রিদে আমি যা করেছি তা করার জন্য তিনি আমাকে স্বাধীনতা ও আত্মবিশ্বাস যুগিয়েছিলেন। আর এখন জাতীয় দলে খেলার সময়ও সেটা করছেন।”
আনচেলোত্তির কোচিংয়ে রেয়ালে দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, দুটি লা লিগা ও একটি ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছেন ভিনিসিউস।
গত বছর মে মাসে আনচেলত্তি কোচ হয়ে আসার পর ব্রাজিলের প্রথম গোলটি করেন ভিনিসিউস। জুনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানের ওই জয়ে তার গোলেই উদ্বেগ কাটে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।
২০২৬ বিশ্বকাপ কঠিন চ্যালেঞ্জই ছুঁড়ে দিচ্ছে ব্রাজিলের দিকে। ‘সি’ গ্রুপে তাদের প্রথম প্রতিপক্ষ গত আসরের সেমি-ফাইনালিস্ট মরক্কো। আফ্রিকার দেশটির বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচে ২০২৩ সালে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল ব্রাজিল।