Published : 16 Jul 2026, 04:37 PM
দুটি দেশ ও দলের অতীত তিক্ততা কেউ আড়াল করেছেন, কেউ পাশ কাটিয়ে গেছেন, কিন্তু এক্ষেত্রে লিসান্দ্রো মার্তিনেস অকপট। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর, এই আর্জেন্টাইন সেন্টার-ব্যাক স্পষ্ট উচ্চারণে বলেছেন, অতীত স্মৃতি মাথায় ছিল তাদের।
আটলান্টার সেমি-ফাইনালে পিছিয়ে পড়ার পর ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়া আলবিসেলেস্তাদের ৮৫তম মিনিটে সমতার স্বস্তি এনে দেন এন্সো ফের্নান্দেস। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়া গোলটি করেন লাউতারো মার্তিনেস।
এই ম্যাচের আগে, দুই দেশের ও দলের বিরোধের অতীত ছিল আলোচনায়। ফকল্যান্ড যুদ্ধ, মেক্সিকোর আসতেকায় দিয়েগো মারাদোনার সেই কুখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং বিখ্যাত ‘গোল অব দা সেঞ্চুরি’সহ আরও অনেক বিতর্ক ফিরে এসেছিল আলোচনার টেবিলে।
বিষয়গুলো অনেকে পাশ কাটিয়ে গেলেও, যাননি মার্তিনেস। ২৮ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার বললেন, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের গুরুত্ব জানা ছিল তাদের।
“আমি মিথ্যা বলব না। আমরা সবাই আর্জেন্টাইন এবং আর সব সমর্থকদের মতো আমরাও এই অভিজ্ঞতা অনুভব করলাম। আমরা এই ম্যাচের গুরুত্ব জানতাম এবং প্রথম মিনিট থেকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম।
“আমাদের কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে; কেননা, তারা খুবই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। কিন্তু দিন শেষে, আমরাই সেই দল, যারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপটা নেই, ভয়ডরহীনভাবে খেলি এবং জিততে চাই।”
শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য পূরণ থেকে স্রেফ এক সিঁড়ি দুরে আর্জেন্টিনা। নিউ ইয়র্কের ফাইনালে রোববার লিওনেল স্কালোনির দল মুখোমুখি হবে স্পেনের। ফাইনাল নিয়ে কথা বলতে গিয়েও, লিসান্দ্রো মার্তিনেস ফিরে গেলেন ইতিহাসে।
“আজ আমরা যেটা করলাম, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে এবং এটি ছিল সব আর্জেন্টাইনের জন্য সেরা অর্ঘ্য। এ কারণে, এটা আমাদের হৃদয় পূর্ণ করে দিচ্ছে: মানুষ আমাদের সঙ্গে একটা সংযোগ অনুভব করছে এবং টেলিভিশনে দেখছে, সত্যিই আমরা তাদের প্রতিনিধিত্ব করি। আমরা এক ধাপ দূরে (শিরোপা জয় থেকে); তবে, যেটা অর্জন করেছি, এখন সেটা উপভোগ করতে চাই।”