১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সিটিতে নিজের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ নিয়ে বললেন গুয়ার্দিওলা

গোলরক্ষক জো হার্টকে সুযোগ দিতে না পারাটা এখনও পোড়ায় ম‍্যানচেস্টার সিটির বিদায়ী কোচকে।

সিটিতে নিজের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ নিয়ে বললেন গুয়ার্দিওলা
ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 23 May 2026, 06:22 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:40 PM

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে এক দশকে পেপ গুয়ার্দিওলার সবচেয়ে বড় আক্ষেপ কী? নিজেই উত্তর দিয়েছেন ম‍্যানচেস্টার সিটির বিদায়ী কোচ। বলেছেন, গোলরক্ষক জো হার্টকে ক্লাব ছেড়ে যেতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এখনও পোড়ায় তাকে। 

২০১০-১১ থেকে ২০১৫-১৬ মৌসুম পর্যন্ত সিটির প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক ছিলেন হার্ট। গুয়ার্দিওলা কোচ হয়ে আসার পর পাল্টায় চিত্র। যে ঘরানার গোলরক্ষক চান স্প‍্যানিশ এই কোচ, তেমন ছিলেন না হার্ট। 

পরে অসংখ‍্যবার সিটি ছাড়ার প্রেক্ষাপট নিয়ে মন্তব‍্য করেছেন হার্ট। ব‍্যাখ‍্যা করেছেন, ‘সুইপার-কিপার’ ঘরানার গোলরক্ষকের সন্ধানে ছিলেন গুয়ার্দিওলা। বায়ার্ন মিউনিখ থেকে আসা কোচের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন ইংলিশ গোলরক্ষক। 

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অ‍্যাস্টন ভিলা ম‍্যাচ দিয়ে সিটি অধ‍্যায় শেষ হচ্ছে ৫৫ বছর বয়সী গুয়ার্দিওলার। এর আগে তিনি বলেছেন এই পর্বে নিজের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ নিয়ে। 

“যখন আপনি অনেক সিদ্ধান্ত নেবেন, অনেক, অনেক সিদ্ধান্ত, আপনি ভুল করবেন। অনেক বছর ধরে আমার মনের গভীরে একটা আক্ষেপ আছে, সেটা হলো সে কত ভালো গোলরক্ষক সেটা প্রমাণের সুযোগ আমি জো হার্টকে দেইনি। আমি বলতে পারতাম, ঠিক আছে জো, চল একসঙ্গে করার চেষ্টা করি। যদি এটা কাজ না করে, ঠিক আছে, আমরা এটা বদল করব… কিন্তু এটা ঘটেছে।”      

“আমার সিদ্ধান্ত নিতে হয় এবং কখনও কখনও আমি যথেষ্ট ন‍্যায‍্য থাকি না… কিন্তু ওই সময় থেকে আক্ষেপটা আমার আছে।”

২০১৬ সালে গুয়ার্দিওলা কোচ হয়ে আসার পর তুরিনো ও ওয়েস্ট হ‍্যাম ইউনাইটেডে দুই মৌসুম ধারে খেলেন সেই সময়ের ইংল‍্যান্ডের গোলরক্ষক হার্ট। পরে ২০১৮ সালে বার্নলিতে যোগ দেন তিনি। ১২ বছরের বেশি সময়ে সিটির হয়ে ৩৪৮ ম‍্যাচ খেলেন তিনি। 

কিছুদিন টটেনহ‍্যাম হটস্পারে খেলে সেল্টিকে ক‍্যারিয়ারের ইতি টানেন হার্ট।

সিটিকে ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ, একটি করে চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়া গুয়ার্দিওলার মতে, ম‍্যানেজারের জন‍্য কঠিনতম অংশ হলো মানবিক আবেগ সামলানো। 

“যদি আমি এটাতে ব‍্যর্থ হই, আমি ক্ষমা চাই কিন্তু কখনও, কখনও এটা আমার কিংবা ক্লাবের অভিপ্রায় ছিল না।”