Published : 30 Apr 2026, 05:00 PM
জাতীয় দলের সতীর্থ ও ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসির একটি রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন হুলিয়ান আলভারেস। লাতিন আমেরিকার ফুটবলারদের মধ্যে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সবচেয়ে কম ম্যাচে ২৫ গোল করেছেন আতলেতিকো মাদ্রিদের এই স্ট্রাইকার।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমি-ফাইনালে দুটি লড়াই-ই প্রথম লেগ শেষে প্রায় ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় আছে। ঘরের মাঠে ৯ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে বায়ার্ন মিউনিখকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। আর আতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠে ১-১ ড্র করেছে আর্সেনাল।
এই দুই ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানগুলো তুলে ধরা হল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পাঠকদের জন্য।
আতলেতিকো মাদ্রিদ ১-১ আর্সেনাল
১০০%
২৫ বছরের মধ্যে এটাই প্রথম ম্যাচ, যেখানে একাধিক গোলের সবকটি হয়েছে পেনাল্টি থেকে। সবশেষ এমন হয়েছিল ২০০১ সালে। বায়ার্ন মিউনিখ ও ভালেন্সিয়ার ম্যাচও ১-১ ড্র হয়েছিল।
১০
চলতি আসরে ১০টি গোল করলেন হুলিয়ান আলভারেস। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক আসরে আতলেতিকো মাদ্রিদের কোনো খেলোয়াড়ের যা সর্বোচ্চ।
২৫
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৪১ ম্যাচে এ নিয়ে ২৫ গোল করলেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার আলভারেস। লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে লাতিনে আমেরিকার ফুটবলার হিসেবে দ্রুততম ২৫ গোলের রেকর্ড গড়লেন তিনি।
৪০/৪৩
এই ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করেন ভিক্তর ইয়োকেরেশ। ক্যারিয়ারে ৪৩ পেনাল্টির ৪০টিতে জালের দেখা পেলেন তিনি।
১৩
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখন ১৩ ম্যাচ ধরে অপরাজিত আর্সেনাল। ইউরোপ সেরার মঞ্চে যৌথভাবে যা তাদের সর্বোচ্চ। ২০০৫ থেকে ২০০৬ সালেও ১৩ ম্যাচ অপরাজিত ছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি।
৫/৮
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে প্রথম লেগে ড্র করার পর, আগের আটবারের মধ্যে পাঁচবারই পরের ধাপে জায়গা করে নিয়েছে আতলেতিকো।
৩/৭
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে প্রথম লেগে ড্র করার পর, আগের সাতবারের মধ্যে তিনবার পরের ধাপে জায়গা করে নিয়েছে আর্সেনাল। এর মধ্যে আছে চলতি আসরে শেষ ষোলোয় বায়ার লেভারকুজেনের বিপক্ষে লড়াইও।
পিএসজি ৫-৪ বায়ার্ন মিউনিখ
৯
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমি-ফাইনালে প্রথমবার ৯ গোল হলো।
আর ইউরোপ সেরা মঞ্চে নকআউট পর্বে যৌথভাবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলের ম্যাচ; চলতি আসরে শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে নিউক্যাসল ইউনাইটেডেরে বিপক্ষে বার্সেলোনার ম্যাচেও হয় ৯ গোল, ম্যাচটি ৭-২ ব্যবধানের জিতেছিল বার্সেলোনা।
২০১৯-২০ মৌসুমে বার্সেলোনার বিপক্ষে বায়ার্ন মিউনিখের ম্যাচে হয় সর্বোচ্চ ১০ গোল, ম্যাচটিতে ৮-২ গোলে জয় পায় বায়ার্ন।
৪+
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচে কেবল দ্বিতীয়বার দুই দলই চার বা এর বেশি গোল করল। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিল লিভারপুল ও চেলসি; ২০০৮-০৯ মৌসুমে স্ট্যাম্পফোর্ড ব্রিজে দল দুটির লড়াই শেষ হয়েছিল ৪-৪ সমতায়।
৫/৫
লক্ষ্যে থাকা পাঁচ শটেই জালের দেখা পেয়েছে পিএসজি। ২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে রেকর্ড রাখার পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বের ম্যাচে কোনো দল পাঁচবার বা এর বেশি শট নিয়ে সবকটিতে জালের দেখা পেল।
৫
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আইনট্রাখট ফ্র্যাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে ৫-১ গোলে হেরেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। এরপর এবারই প্রথম কোনো ম্যাচে পাঁচ গোল হজম করল জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।
৫
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনাল বা ফাইনালের প্রথমার্ধে সর্বোচ্চ গোল হলো এবার, পাঁচটি। ইউরোপ সেরার মঞ্চে নকআউট পর্বে সব মিলিয়ে এটা যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলের প্রথমার্ধ।
৬
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ছয় ম্যাচে গোল করলেন হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ডের কোনো খেলোয়াড়ের জন্য এই প্রতিযোগিতায় যা সর্বোচ্চ। ২০০৭-০৮ মৌসুমে টানা পাঁচ ম্যাচে গোল করেন স্টিভেন জেরার্ড।
৮
বায়ার্নের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে কেইন টানা আট ম্যাচে গোল করলেন। নিজের ক্যারিয়ারে যা এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকারের সর্বোচ্চ।
১০
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সবশেষ ১০ ম্যাচে অপরাজিত থাকল পিএসজি। এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে ফ্রান্সের কোনো দলের জন্য যা সর্বোচ্চ।
১৫
এবার জোড়া গোলের পর, এই আসরে খাভিচা কাভারাৎসখেলিয়া সরাসরি ভূমিকা রাখলেন ১৫ গোলে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে পিএসজির কোনো খেলোয়াড়ের জন্য এক আসরে যা সর্বোচ্চ।
এই সময়ে ১০টি গোল করেছেন তিনি, অবদান রেখেছেন পাঁচ গোলে।
৫০
এই ম্যাচ দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোচ হিসেবে ৫০তম জয় পেলেন লুইস এনরিকে, কেবল ৭৭ ম্যাচে। অন্য যে কারোর চেয়ে তিন ম্যাচ কমে এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। ৮০ ম্যাচে পেপ গুয়ার্দিওলার ৫০ জয় ছিল আগের রেকর্ড।
৫/৮
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে ঘরের মাঠে প্রথম লেগে জয় পাওয়া আগের আটবারের মধ্যে পাঁচবারই পরের ধাপে জায়গা করে নিয়েছে পিএসজি।
২/৭
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে প্রতিপক্ষের মাঠে প্রথম লেগে হারের পর, আগের সাতবারের মধ্যে কেবল দুবার পরের ধাপে জায়গা করে নিতে পেরেছে বায়ার্ন মিউনিখ।