০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘মেসিকে পুরোপুরি আটকে রাখা অসম্ভব’

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে লিওনেল মেসির হুমকি নিয়ে স্পেনকে সতর্ক করলেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা।

‘মেসিকে পুরোপুরি আটকে রাখা অসম্ভব’
বিশ্বকাপে দারুণ ছন্দে আছেন লিওনেল মেসি (ডানে)। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Jul 2026, 08:01 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:41 PM

প্রতিপক্ষের জন্য লিওনেল মেসি কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন, বছরের পর বছর সেটা খুব কাছ থেকে দেখেছেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সাবেক বার্সেলোনা সতীর্থের সামর্থ্য নিয়ে তাই স্পেনকে সতর্ক করে দিয়েছেন কিংবদন্তি এই মিডফিল্ডার।

স্পেনের ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক মনে করেন, আর্জেন্টিনার অসাধারণ অধিনায়ককে নিয়ে বাড়তি চিন্তা না করে, তার উত্তরসূরিদের নিজেদের ভালো খেলাটাই হতে পারে জয়ের চাবিকাঠি।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২০ জুলাই ১টায় (এএম) শিরোপা লড়াইয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হবে স্পেন।

ইনিয়েস্তা আছেন নিউ ইয়র্কেই। ২০১০ সালের ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে স্পেনের জয়সূচক একমাত্র গোলটি করা সাবেক এই মিডফিল্ডার শনিবার স্প্যানিশ এক রেডিও অনুষ্ঠানে বলেন, মেসিকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

“তাকে পুরোপুরি আটকে রাখা অসম্ভব। বরং, স্পেন তাদের নিজেদের খেলা দিয়ে, সুযোগ তৈরি করে এবং সুযোগ এলে তা নিখুঁতভাবে কাজে লাগিয়ে আর্জেন্টিনাকে কতটা বিপদে ফেলতে পারে, সেটাই আসল।”

চলতি বিশ্বকাপে আটটি গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট করেছেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। তার সঙ্গে লম্বা সময়ে বার্সেলোনায় খেলা ইনিয়েস্তা সাবেক সতীর্থের এমন পারফরম্যান্সের প্রশংসায় যেন ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না।  

বার্সেলোনায় মেসি ও ইনিয়েস্তা যখন সতীর্থ ছিলেন। ছবি: রয়টার্স

বার্সেলোনায় মেসি ও ইনিয়েস্তা যখন সতীর্থ ছিলেন

“বলার মতো কোনো ভাষা নেই, বা আমি ঠিক জানি না কীভাবে এটাকে বর্ণনা করব। তার যে একাগ্রতা, আত্মবিশ্বাস এবং প্রতিটি ম্যাচে সে যা কিছু করে, তাকে আপনার স্যালুট জানাতেই হবে।”

মেসির হুমকি নিয়ে সতর্ক করার পাশাপাশি, এই ধরনের বড় ম্যাচে উত্তরসূরিদের ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দেন ৪২ বছর বয়সী ইনিয়েস্তা।

“না, না, কখনোই ভয় পাওয়া যাবে না। ভয় নিয়ে কখনোই খেলা যায় না। আমার মনে হয়, বিষয়টি নির্ভর করছে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসের ওপর। পুরো বিশ্বকাপে তাদের জয়ের ধারা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তারা পুরো আত্মবিশ্বাস নিয়ে ফাইনালে নামছে।

“প্রত্যেকেই জানে, তাদের কী করতে হবে। কে খেলছে, তা মুখ্য নয়, প্রত্যেকেই নিজের ভূমিকা জানে এবং তাদের মধ্যে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস ফুটে উঠছে। মাঠে কে আছে বা কোন পজিশনে খেলছে, তা কোনো বিষয় নয়।”