কেইনের পেনাল্টি মিসেই ম্যাচের ‘নির্ণায়ক মুহূর্ত’ দেখছেন টুখেল
ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেলের মতে, পেনাল্টি থেকে গোল হলে ম্যাচ ফল ভিন্ন হতে পারত।
তখন ২-১ গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না হ্যারি কেইন। পরে শেষ পর্যন্ত স্পেনের কাছে হেরে গেল ইংলিশরা। দলটির কোচ টমাস টুখেলের মতে, পেনাল্টি থেকে গোল হলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।
ওয়েম্বলিতে শনিবার নেশন্স লিগের ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ডিফেন্ডার মার্ক গেয়ির চরম ভুল কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে নেন লামিন ইয়ামাল।
সেই ধাক্কা সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধেই অ্যান্থনি গর্ডন ও কেইনের গোলে লিড নেয় তারা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। কিন্তু কেইনের স্পট কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। হতাশায় ওই মুহূর্তেই মাটিতে নুয়ে পড়েন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
এরপর দুই বদলি খেলোয়াড় অ্যালেক্স বায়েনা ও মিকেল ওইয়ারসাবালের গোলে ভেঙে যায় ইংল্যান্ডের জয়ের আশা। ৩-২ ব্যবধানে জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
ম্যাচ শেষে কেইনের ওই পেনাল্টি মিস করা নিয়ে আক্ষেপ ঝরে টুখেলের কণ্ঠে।
“দুর্ভাগ্যজনকভাবে হ্যারি সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেনি। সেটিই ম্যাচের নির্ণায়ক মুহূর্ত হতে পারত। কারণ, ওই গোল হলে স্পেন হয়তো প্রথমবারের মতো বিশ্বাস করতে শুরু করত যে তাদের দীর্ঘ অপরাজেয় যাত্রা শেষ হতে যাচ্ছে। কিন্তু বলটি জালে জড়ায়নি।
“মানসম্মত ফুটবল খেলেছি আমরা, প্রচেষ্টারও কমতি ছিল না; বেশ কিছু মুহূর্তে আমরা খুব, খুব ভালো খেলেছি। তবে ফলাফল সেই পারফরম্যান্সের পুরো চিত্রটা তুলে ধরছে না।”
ইংল্যান্ড পেনাল্টি পাওয়ার পর ম্যাচ হারার শঙ্কা জেগেছিল কিনা, নাকি তখনও ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিল স্পেন, দে লা ফুয়েন্তের কাছে জানতে চাওয়া হয়।
“আমরা যখন তিনটি পরিষ্কার সুযোগ পেয়েছিলাম, তখনই ঘুরে দাঁড়ানোর শুরুটা হয়েছিল। পেনাল্টি থেকে গোল হলে সেটা এতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠত না। তবে ৩-১ ব্যবধানেও দল একইভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাত। প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগ যতই শক্তিশালী হোক, তারা সব সময় পাওয়া সুযোগগুলো নিখুঁতভাবে কাজে লাগাতে পারবে না।”
আগামী বুধবার বাংলাদেশ সময় ১২টা ৪৫ মিনিটে (এএম) ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে স্পেন। আগের দিন একই সময়ে চেকিয়ার বিপক্ষে লড়বে ইংল্যান্ড।
