Published : 08 Feb 2026, 05:55 PM
রেয়াল মাদ্রিদের বেঞ্চে অসহনীয় সময় কাটিয়ে, অলিম্পিক লিওঁতে গিয়ে অসাধারণ সময় কাটছে এন্দ্রিকের। সুখকর যাত্রার মাঝেই তিক্ত এক অভিজ্ঞতা হয়েছে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের। রেফারির বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে দেখেছেন সরাসরি লাল কার্ড। অন্তত লিওঁ কোচ পাওলো ফনসেকার চোখে সেই ফাউলে ওই শাস্তি পাওয়ার মতো কিছু করেননি তরুণ ফরোয়ার্ড।
লিগ আয়ঁ শনিবার রাতে নতেঁর বিপক্ষে দলের ১-০ গোলে জয়ের ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন এন্দ্রিক। প্রথমার্ধে চেক রিপাবলিকের মিডফিল্ডার পাভেল সুলচ গোলটি করেন। ৬১তম মিনিটে এদ্রিক মাঠ ছাড়ায় বাকিটা সময় ১০ জন নিয়ে খেলে লিওঁ।
গত ডিসেম্বরে রেয়াল থেকে ধারে লিওঁতে দেওয়া এন্দ্রিক ফরাসি দলটির হয়ে প্রথম পাঁচ ম্যাচে করেন একটি হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ গোল, অবদান রাখেন একটি গোলে।
প্রত্যাশিতভাবে নতেঁর বিপক্ষেও শুরুর একাদশে নামেন তিনি, দ্বিতীয় মিনিটেই অবশ্য বাজে ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেখেন তিনি।
এরপর অবশ্য সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। দলও এগিয়ে ছিল। প্রথম ঘণ্টা পেরিয়ে সাইডলাইন ধরে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন এন্দ্রিক, তখন তাকে চ্যালেঞ্জ জানান দেহমাইনে তাবিবু, দৌড়ের ফাঁকে যেন মেজাজ হারিয়ে পেছন থেকে প্রতিপক্ষের পায়ে আঘাত করে বসেন ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
শুরুতে তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। কিন্তু ভিএআরের সাহায্যে পরে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি, যা মানতে পারছেন না কোচ ফনসেকা।
“আমার কাছে, এটা (সরাসরি লাল কার্ড) খুব কঠোর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, খুব। আগে একটা ফাউল হয়েছিল, সেটা একদম পরিষ্কার। নতেঁর খেলোয়াড় বল খেলার চেষ্টাই করেনি, তার লক্ষ্য ছিল কেবল এন্দ্রিককে বাধা দেওয়ার।”
লিওঁতে আসার পর থেকেই এন্দ্রিক যেন প্রতিপক্ষের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছেন, অভিমত ফনসেকার। এই ম্যাচেও তা ছিল একইরকম, যা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করেন এই পর্তুগিজ কোচ।
“দ্বিতীয় যে কথাটি আমি বলতে চাই, এই নিয়ে তৃতীয় ম্যাচে প্রতিপক্ষ এদ্রিকের ওপর আগ্রাসী ভাব নিয়ে শুরু করে। আমি ভেবেছিলাম, এগুলো অতীতের বিষয়, কিন্তু তাদের উদ্দেশ ছিল পরিষ্কার।”
“তারা সত্যিই এন্দ্রিকের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। রেফারিদের অবশ্যই এন্দ্রিকের মতো প্রতিভার সুরক্ষা দিতে হবে।”