Published : 29 Feb 2024, 06:55 PM
তৃতীয় মিনিটেই পিছিয়ে পড়ল ঊষা ক্রীড়া চক্র। এরপর আরও পাঁচ গোল হজম করে কোণঠাসা হয়ে পড়ল তারা। তৃতীয় কোয়ার্টারের শেষ দিকে তিন গোল শোধ করে ম্যাচ জমিয়ে তোলার ইঙ্গিত যদিও দিল দলটি। তবে সোহানুর রহমান সবুজের হ্যাটট্রিকে দাপুটে জয়েই ক্লাব কাপ হকির ফাইনালে জায়গা করে নিল মেরিনার ইয়াংস।
মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার প্রথম সেমি-ফাইনালে ঊষাকে ৮-৪ গোলে হারায় মেরিনার্স। টানা তিন জয়ে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠল শিরোপাধারীরা।
হ্যাটট্রিকেও ঊষার বড় হার ঠেকাতে পারেননি মোহাম্মদ শারিক।
বাংলাদেশ পুলিশকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ পর্ব শুরু করা মেরিনার্স নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মোহামেডানকে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ৫-১ ব্যবধানে। সেরা চারের লড়াইয়েও দাপুটে জয়ের ধারায় থাকল তারা।
শুরু থেকে আক্রমণাত্মক হকি খেলা মেরিনার্স তৃতীয় মিনিটে পেনাল্টি কর্নার আদায় করে নেয়। মিলন হোসেনের পুশ, আবেদ স্টপ করার পর সবুজের ড্রাগ ফ্লিকে পরাস্ত হন গোলরক্ষক অসীম গোপ।
শুরু ধাক্কায় নড়বড়ে হয়ে যাওয়া ঊষা নবম মিনিটে গোল হজম করে আবারও। এবার কৌশিকের আড়াআড়ি ক্রসে সার্কেলের ভেতর থেকে রিভার্স হিটে ঠিকানা খুঁজে নেন ভারতীয় ফরোয়ার্ড মিথিলেশ।
২৭তম মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে সবুজ; ছয় মিনিট পর পাল্টা আক্রমণ থেকে কৌশিকের লক্ষ্যভেদে স্কোরলাইন হয় ৪-০। ৩৭তম মিনিটে ফজলে হোসেন রাব্বির ফিল্ড গোলে বড় জয়ের পথে ছুটতে থাকে মেরিনার্স। ৪৩তম মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন সবুজ।
ম্যাচ মুঠো গলে প্রায় বেরিয়ে যাওয়ার পর যেন ঘুম ভাঙে ঊষার। ৪৫ থেকে ৫০-এই তিন মিনিটের মধ্যে তিন গোল শোধ করে ম্যাচ জমিয়ে তোলে তারা। পেনাল্টি কর্নার (পিসি) ও পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে জোড়া গোল করেন শারিক; নিখুঁত পুশে ফিল্ড গোল করেন আরশাদ হোসেন। স্কোরলাইন হয়ে যায় ৬-৩।
৫৫তম মিনিটে সবুজ নিজের চতুর্থ গোলটি করেন। দুই মিনিট পর রিভার্স হিটে ব্যবধান আরও বাড়ান কৌশিক। তাতে মেরিনার্সের জয় স্রেফ সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। শেষ দিকে ৫৮তম মিনিটে পিসি থেকে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন শারিক; কিন্তু ঊষার হারে আড়ালেই পড়ে যায় তা।