ইংলিশ ফুটবল
Published : 22 May 2025, 05:32 PM
সিদ্ধান্তটা অবাক হয়ে এসেছিল অনেকের জন্যই। এবারের ইউরোপা লিগে নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচে শুরুর একাদশে খেলা আলেহান্দ্রো গার্নাচোকে ফাইনালে রাখা হয় বেঞ্চে। টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে হারের পর তাকে অল্প সময় খেলানোর কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আর্জেন্টাইন উইঙ্গার। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়ারও যেন ইঙ্গিত দিলেন তিনি।
বিলবাওয়ে বুধবারের ফাইনালে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকার ১৬ ও ১৭ নম্বর দলের লড়াইয়ে ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৭ বছরের শিরোপা-খরা কাটায় টটেনহ্যাম। পাশাপাশি আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা নিশ্চিত করে এনজ পোস্টেকোগ্লুর দল। পরের মৌসুমে কোনো ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় দেখা যাবে না ইউনাইটেডকে।
শিরোপা লড়াইয়ে গার্নাচোর জায়গায় ম্যাসন মাউন্টকে শুরুর একাদশে নামান কোচ হুবেন আমুরি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোল হজম করে ইউনাইটেড। নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট বাকি থাকতে ইংলিশ মিডফিল্ডার মাউন্টের বদলি হিসেবে নামানো হয় গার্নাচোকে।

ম্যাচের পর কোচের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ২০ বছর বয়সী ফুটবলার বলেন, বিষয়টি এই ক্লাবে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে।
“দলকে সাহায্য করার জন্য ফাইনালের আগ পর্যন্ত প্রতিটি রাউন্ডে খেলেছি আমি এবং আজ মাত্র ২০ মিনিট খেলেছি, জানি না (কেন)।”
“ফাইনাল (আমার সিদ্ধান্তের) ওপর প্রভাব ফেলবে, কিন্তু মৌসুম জুড়ে, ক্লাবের পরিস্থিতির (প্রভাবও আছে)… আমি গ্রীষ্ম উপভোগ করার চেষ্টা করব এবং এরপর দেখব কী হয়।”
গত জানুয়ারির দলবদলের সময় গার্নাচোকে নিয়ে নাপোলি ও চেলসির আগ্রহের কথা উঠে এসেছিল বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কিছুদিন আগেও তার ভবিষ্যৎ নিয়ে গুঞ্জন ওঠে নতুন করে। সপ্তাহ দুয়েক আগে গুঞ্জন উড়িয়ে গার্নাচো বলেছিলেন, ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তিনি ‘খুশি।’

তবে এখন যে তার ভাবনা অনেকটা বদলে গেছে, তা বলাই যায়।
শুধু গার্নাচোই নয়, কদিন আগে চতুর্থবারের মতো ক্লাবের বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জয়ী ব্রুনো ফের্নান্দেসের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। তার প্রতি সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলালের আগ্রহের কথা শোনা যাচ্ছে।
৩০ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ মিডফিল্ডার বললেন, ক্লাব তাকে বিক্রি করে দিতে চাইলে তিনি চলে যাবেন।
“আমি সবসময় সৎ ছিলাম। ক্লাব যদি মনে করে এখন বিচ্ছেদের সময়, কারণ তারা কিছু অর্থ পেতে চায়, অথবা এমন কিছু। ফুটবল কখনও কখনও এমনই হয়।”
“আমি সবসময় বলেছি, যতক্ষণ না ক্লাব আমাকে বলে যে, এখন চলে যাওয়ার সময়, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি এখানেই থাকব। ক্লাবকে সোনালি দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আমি আরও কিছু করতে আগ্রহী।”