জুমভূমিতে আগুন: সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হল মিটিং
জুমভূমি আগুনে পুড়ে যাওয়ায় খাদ্যসংকটে পড়েন তিন পাড়ার বাসিন্দারা।
বান্দরবানের লামা উপজেলায় ‘৩০০ একর’ জুমভূমির সব উদ্ভিদ পুড়িয়ে দেওয়ার নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ নিরসনে মিটিং হলেও সেখানে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
উপজেলার সরই ইউনিয়নের এই জমি ৪০ বছরের জন্য লিজ নিয়েছেন দাবি করে গত ২৬ এপ্রিল পুড়িয়ে দেয় লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান।
ওই জমির মালিকানা দাবি করছেন ত্রিপুরা ও ম্রো জনগোষ্ঠীর তিনটি পাড়ার বাসিন্দারা।
পাড়াবাসীদের প্রতিনিধি ও রাবার ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিনিধিদের নিয়ে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে মিটিং হয়। মিটিংয়ে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।
সভা শেষে বান্দরবানের ডিসি ইয়াসমিন পারভীন তিবরীজি বলেন, পাড়াবাসী আরও সময় চেয়েছেন। পরে আবার আলোচনা হবে।
পাড়াবাসীদের দাবি, আগুনে ৩০০ থেকে ৩৫০ একর এলাকার উদ্ভিদ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে বিশাল এলাকা বিরান ভূমিতে পরিণত হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বাঁশ ও কাঠ সংগ্রহ করে চলা তাদের আয়ের উৎস। এতে খাদ্য সংকটে পড়েন তিন পাড়ার বাসিন্দারা।
অপরদিকে লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল উদ্দিন দাবি করেন, তিনি ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে ৬৪টি প্লটে সরকার থেকে এক হাজার ৬০০ একর জমি ৪০ বছরের জন্য লিজ পেয়েছেন। ২৬ এপ্রিল ৩০০ একর জায়গায় কাজু বাদাম ও বাগান করার জন্য জঙ্গল পোড়ানো হয়েছে।
“আমার আমাদের লিজের জায়গার মধ্যে আছি। আমরা লিজের বাইরে যাইনি।”
আরও পড়ুন:
