লালমনিরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গণসংযোগে হামলা, এমপির পিএসকে শোকজ
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে শ্যামলকে।
লালমনিরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান প্রধানের গণসংযোগে হামলা, গাড়ি ও ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান এমপি মোতাহার হোসেনের ব্যক্তিগত সহকারী আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামলকে কারণ দর্শাতে বলেছে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি।
হাতীবান্ধার গড্ডিমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্যামল হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদেও রয়েছেন। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে কারণ দর্শাও নোটিস দিয়েছেন লালমনিরহাট-১ নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. এরশাদ আলী।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে শ্যামলকে।
আওয়ামী লীগ এবার এ আসনের বর্তমান এমপি মোতাহার হোসেনকেই নৌকার মনোনয়ন দিয়েছে। দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা উপকমিটির সদস্য, সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি আতাউর রহমানের প্রধান।
বৃহস্পতিবার রাতে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী মেডিকেল মোড় এলাকায় গণসংযোগ করতে গেলে তার কর্মীদের ওপর হামলা হয়। সে সময় তার গাড়ি ও ক্যাম্প ভাংচুর করা হয়।
আতাউর রহমানের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সরওয়ার হায়াত খান বলেন, “গড্ডিমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামলসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কতিপয় নেতাকর্মী পথ রোধ করে গণসংযোগে বাধা দেয়। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার সফরসঙ্গীদের উপর হামলাসহ গাড়ি ও ক্যাম্প ভাংচুর করা হয়।”
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জাননা হাতীবান্ধা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী গণসংযোগের নামে নৌকার বিরুদ্ধে কথা বললে স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে পড়েন।”
