১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১ কার্তিক ১৪৩৩

গুলশানে ‘জার্মান ক্লাবে’ অভিযান, ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ

এর মধ্যে বিদেশি মদের পরিমাণ ১৭৭ লিটার।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 16 Oct 2026, 12:20 PM

Updated : 16 Oct 2026, 12:19 PM

ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের এক বিনোদনকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ১৭৭ লিটার বিদেশি মদ ও ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করার কথা জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ ঘটনায় সেখানকার ব্যবস্থাপক আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি’ নামে নিবন্ধিত, যা ‘জার্মান ক্লাব’ নামেই বেশি পরিচিত।

ডিএনসির সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, বার লাইসেন্স ছাড়াই সেখানে বিদেশি মদ মজুতের পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করা হচ্ছিল।

অভিযানে ২২৩ বোতল বিদেশি মদ, যার পরিমাণ ১৭৭ লিটার, এবং ২০৯টি বোতল ও ক্যানে ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার আতাউর রহমান শামীমের বয়স ৪২ বছর। অভিযানের সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে ছিলেন। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার প্রমাণ চাওয়া হলে তিনি তা দেখাতে পারেননি বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

ডিএনসি বলছে, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকেট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব আয়োজনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো।

এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওমর জামিল নামে ৪৫ বছর বয়সি আরেক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে ডিএনসি। অভিযানের সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। তাকে পলাতক দেখিয়ে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আতাউর রহমান শামীম, ওমর জামিল ও অচেনা ব্যক্তিদের আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গুলশান থানায় মামলাটি হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলা হয়েছে। এটা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান ছিল। তারাই মামলাটা করেছে।”

জব্দ করা আলামত ও রাসায়নিক পরীক্ষার নমুনা ডিএনসির হেফাজতে রয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদ হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ডিএনসির প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় এবং ঢাকা মেট্রো উত্তর ও দক্ষিণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।