কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধ: আরও ৩ জন গ্রেপ্তার
গুলিবিদ্ধ শিশুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কুমিল্লা নগরে মাদক কারবারিদের গুলিতে স্কুলছাত্র আহত হওয়ার ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।
গ্রেপ্তাররা হলেন- নগরীর কাটাবিল এলাকার প্রয়াত শাহজাহান মিয়ার ছেলে আসিফ (২৬), একই এলাকার প্রয়াত সুলতান মিয়ার ছেলে আশিক (৩৫) এবং ইকবাল মিয়ার ছেলে ইমন (১৯)।
বিকালে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি তৌহিদুল।
পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়া নিয়ে নগরের কাঁটাবিল এলাকায় বুধবার রাতে ‘অপু গ্রুপ’ ও ‘সাব্বির গ্রুপের’ মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এ ঘটনায় প্রতিবাদে স্থানীয় লোকজন বৃহস্পতিবার সকালে কাঁটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও কাটাবিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মাদকবিরোধী মানববন্ধন করেন।
পরে দুপুরে হঠাৎ অস্ত্র হাতে একদল লোক মানববন্ধনের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এ সময় গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটালে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে ছোটাছুটি করেন। সংঘর্ষ চলাকালে স্কুলছাত্র ইথান আহমেদ প্রেম গুলিবিদ্ধসহ অন্তত সাতজন আহত হন।
আহত ইথান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার ফুসফুসে গুলি লেগেছে। ইথান কাঁটাবিল রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।
স্কুল শিক্ষকদের ভাষ্য, টিফিনের বিরতিতে বাসায় যাওয়ার পথে ইথান গুরিবিদ্ধ হয়। তার বাবা ইউনুস মিয়া নগরীর সিটি পার্কের একটি রাইডের কর্মচারী।
পরে এ ঘটনায় ইথানের বাবা ছয়জনের নাম উল্লেখসহ ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন বলে জানান ওসি তৌহিদুল আনোয়ার।
তিনি বলেন, মামলার পর পর শ্রাবন নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছে গুলিসহ পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ‘সব্বির গ্রুপের’ সদস্য। নতুন গ্রেপ্তার আসিফ, আশিক ও ইমন ‘অপু গ্রুপের’ সদস্য।
আরও পড়ুন-
