Published : 15 Sep 2025, 04:22 PM
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে কারণ দর্শানো নোটিস বা শোকজ করেছে আদালত।
একটি ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাইস প্রিন্সিপালসহ দুই শিক্ষককে বহিষ্কার করা নিয়ে রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকালে সিলেট সদর আদালতের জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ এ আদেশ জারি করেন বলে জানান আইনজীবী ইরশাদুল হক।
তবে সোমবার বেলা ৩টার দিকে কারণ দর্শানো নোটিস জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম।
জেলা প্রশাসককে দেওয়া নোটিসে আদালত ১৫ দিনের মধ্যে লিখিত জবাব চেয়েছে বলে জানান আইনজীবী ইরশাদুল হক।
এর আগে বুধবার নগরের ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দি সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের (এসকেআইএসসি) গভর্নিং বডির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক আবেদা হক ও মো. রোকন উদ্দিনকে বহিষ্কার করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, “সিলেট খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক আবেদা হক ও মো. রোকন উদ্দিন প্রতিষ্ঠানের যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো ধরনের নিয়োগপত্র বা পদোন্নতি ব্যতীত স্বপ্রণোদিতভাবে জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠানের ভাইস প্রিন্সিপাল ইনচার্জ (নারী)-এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেইসঙ্গে বিদ্যালয়ে কর্মরত অন্য শিক্ষকদেরকে ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে তাকে অভিনন্দন জানাতে বাধ্য করেন।
“এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পদবি হালনাগাদকরণসহ বহুল প্রচারের জন্য সিলেটের স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেছেন; যা খাজাঞ্চিবাড়ি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সার্ভিস রুলস এবং রেগুলেশনের সম্পূর্ণ পরিপন্থি।”
আইনজীবী ইরশাদুল হক বলেন, মূলত শিক্ষক আবেদা হক তার বরখাস্তের আদেশটি আদালতের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করেন। পরে আদালত জেলা প্রশাসককে কারণ দর্শানো নোটিস দেয়।