১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ঈদগাহে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ১

নাটোরের লালপুর থানার ওসি বলেন, রামকৃষ্ণপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে নয় আওয়ামী লীগ সমর্থককে আটক করা হয়েছে।

ঈদগাহে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ১
নাটোরের লালপুরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সংঘর্ষে জড়ালে পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে নিয়ন্ত্রণ করে।

নাটোর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 01 Apr 2025, 01:39 AM

Updated : 26 Aug 2026, 12:24 PM

নাটোরের লালপুর উপজেলায় ঈদের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। 

সোমবার দুপুরে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর চিনি বটতলা এলাকায় এ ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপির চার সমর্থক ও এক সাংবাদিক আহত হয়েছেন। 

এসব তথ্য জানিয়ে লালপুর থানার ওসি নাজমুল হক বলেন, ঘটনার পর রামকৃষ্ণপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে নয়জন আওয়ামী লীগ সমর্থককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।  

আহতরা হলেন- রামকৃষ্ণপুর এলাকার লোকমান হোসেনের ছেলে সাব্বির (২৪), আরজেতের ছেলে সুজাত (৩০), রইজ উদ্দিনের ছেলে মহাসিন (২৭), ইসাহাক ব্যাপারীর ছেলে জিয়া (৪৬) এবং দৈনিক খোলা কাগজের লালপুর উপজেলা প্রতিনিধি তুষার ইমরান (২২)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রামকৃষ্ণপুর ঈদগাহে ঈদের নামাজ শেষে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় বিএনপির সমর্থকদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে সাব্বির নামে এক বিএনপি সমর্থক আহত হন। 

পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা আবারো বিএনপি সমর্থকদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে বলে অভিযোগ করেন গ্রামবাসী। এতে সুজাত নামে বিএনপি সমর্থক গুলিবিদ্ধ হন। 

লালপুর থানার ওসি নাজমুল হক বলেন, “ঘটনার পর পরই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। যাচাই-বাচাই করে আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ ব্যাপারে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা চলছে।