১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পটুয়াখালীতে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে আরেকটি বড় কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র

এটি একই ক্ষমতাসম্পন্ন পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার উত্তরে রামনাবাদ নদীর তীরে অবস্থিত।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Jan 2025, 10:20 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:37 AM

পটুয়াখালীতে আরেকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন শুরু হয়েছে; কলাপাড়ায় অবস্থিত ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ যোগ হয়েছে জাতীয় গ্রিডে।

নির্মাণাধীন এ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬৬০ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটে শনিবার মধ্যরাতে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। 

বিদ্যুৎকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বলেন, পর্যায়ক্রমে এ ইউনিটের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। শুরুর দিকে ১১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

এটি পটুয়াখালীর দ্বিতীয় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর আগে পায়রায় একই ক্ষমতাসম্পন্ন আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়েছে।

কলাপাড়া কেন্দ্রটি পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার উত্তরে রামনাবাদ নদীর তীরে অবস্থিত।

প্রকৌশলী আশরাফ বলেন, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের পুরো ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পর্যায়ক্রমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। আগামী মার্চে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। 

“ইতোমধ্যে কেন্দ্রের উৎপাদিত ১১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে।”

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা গ্রামে ৯১৫ একর জমির ওপর নির্মিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ব্যয় ধরা হয় ২৭ হাজার কোটি টাকা।

নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করায় আনন্দিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ বিনিয়োগে বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ৩১ অগাস্ট।