২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

নড়াইলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ, বাম্পার ফলনের আশা

“চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৭ হেক্টর বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।”

নড়াইল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Jul 2026, 04:54 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:31 PM

নড়াইলে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের চাষ হয়েছে। গত বছর পাটের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় এ বছর চাষিরা পাট আবাদে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন।

অনুকূল আবহাওয়া আর মাঠের সবুজ ফসল দেখে এবার পাটের বাম্পার ফলনের আশা করছেন আশা করছেন জেলার কৃষকরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে বীজ ও সার বিতরণ করায় ২৩ হাজার ৫১৭ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।

সদর উপজেলার সীমানন্দপুর গ্রামের কৃষক ইশারত শেখ বলছিলেন, “গত বছর আমার জমিতে প্রায় ৫০ মণ পাট উৎপাদন হয়েছিল। সে সময় প্রতি মণ পাট তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।

“ভালো দাম পাওয়ায় এ বছর দুই একর জমিতে পাটের আবাদ করেছি। এবারও পাটের ফলন ভালো হয়েছে। গত বছরের মতো এ বছরও পাটের ন্যায্যমূল্য পাব বলে আশা করছি।”

লোহাগড়া উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, “এক একর জমিতে বীজ-সার-ওষুধ এবং অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। এক একর জমিতে ২৫ থেকে ২৬ মণ পাট উৎপাদন হয়ে থাকে।

“প্রতি মণ আড়াই থকে তিন হাজার টাকায় বিক্রি হলে কমপক্ষে ৬০ হাজার টাকার পাট বিক্রী করতে পারবো। সে ক্ষেত্রে ৪০ হাজার মত লাভ হবে।”

কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের মঞ্জুরুল হাসান বলেন, “চলতি মৌসুমে পাটের ভালো ফলন হয়েছে। গত বছরের মত দাম পেলে আমরা লাভবান হবো।”

কৃষি কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, “চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৭ হেক্টর বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “পাটের যেহেতু বাম্পার ফলন হয়েছে, কৃষক লাভবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।”