২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

চাটখিলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় রায়ের অপেক্ষা

২০২২ সালের ২৪ মার্চ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় মেয়েটি। পরে একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 May 2026, 01:48 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:18 PM

নোয়াখালীর চাটখিলে সেফটিক ট্যাংকে অর্ধগলিত লাশ পাওয়া পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার রায় ঘোষণা করা হবে রোববার। দীর্ঘ চার বছরের আইনি লড়াই শেষে রায়ের অপেক্ষায় রয়েছেন শিশুটির পরিবার।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর অধীনে গঠিত বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তারের আদালতে এ মামলার রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) সেলিম শাহী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ চাটখিল উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় পাঁচ বছর বয়সী মেয়েটি। এর আট দিন পর গ্রেপ্তার করা হয় একই বাড়ির বাবলু মিয়ার ছেলে শাহাদাতকে (২২)। পরে তার দেওয়া তথ্যে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শাহাদাত জানায়, ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন। 

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর চাটখিলজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

মামলার বাদী ও নিহত শিশুটির বাবা বর্তমানে ঢাকার একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে কর্মরত। তিনি বলেন, “আমার নিষ্পাপ মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। চার বছর ধরে আমরা বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। আদালতের কাছে আমাদের একটাই দাবি- দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”

পিপি সেলিম শাহী বলেন, “মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি। রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে আদালত আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন।”