কুমিল্লায় কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: আরেক আসামির স্বীকারোক্তি
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল ও আওয়ামী লীগ নেতা হরিপদ সাহা হত্যা মামলায় আরেক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার এসআই পরিমল দাস জানান, তিন দিনের রিমান্ডে থাকা এ আসামি দ্বিতীয় দিন বুধবার কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শাহেন আরা আক্তারের আদালতে জবানবন্দি দেন।
স্বীকারোক্তি দেওয়া মো.নাজিম (২৯) কুমিল্লা নগরীর শুভপুরের মিজানুর রহমানের ছেলে।
এই মামলায় এর আগে আরও দুই জন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
এসআই পরিমল দাস জানান, কুমিল্লার কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনের ঘটনায় কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী সদস্য ও সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত এবং তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মো. নাজিম (২৯) তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে থাকাকালে জিজ্ঞাসাবাদে পর কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনে নিজেকে জড়িয়ে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শাহেনআরা আক্তারের আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গত ২২ নভেম্বর বিকালে কুমিল্লা নগরের পাথুরিয়াপাড়া থ্রিস্টার এন্টারপ্রাইজ কার্যালয়ে কাউন্সিলর মো. সোহেল ও হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পরদিন ২৩ নভেম্বর রাতে নিহত সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ পর্যন্ত এ মামলায় ১৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এছাড়া পুলিশের সঙ্গে কথিত গোলাগুলিতে প্রধান আসামি শাহ আলমহ তিন জন নিহত হয়েছেন।
এছাড়া গত রোববার কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক চন্দন কান্তি নাথের আদালতে দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরা হলেন নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের নবগ্রামের সোহেল ওরফে জেল সোহেল (২৮) ও একই এলাকার প্রয়াত শামছুল হকের ছেলে মো. সাইমুন (৩০)।
